• বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:২৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
কুড়িগ্রামে বিজিবির ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে চরের পাঁচ শতাধিক মানুষ পেলো চিকিৎসাসেবা পুষ্টি, উদ্যোক্তা ও টেকসই উন্নয়নে কুড়িগ্রামে ‘পার্টনার কংগ্রেস’ অনুষ্ঠিত থানায় গিয়ে ডিউটি অফিসার এসআই রোকসানাকে ‘ম্যাডাম’ ডাকায় আটক যুবক রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া পুরাভিটায় মাদকবিরোধী অভিযানে ১০ জন গ্রেফতার, ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদণ্ড রায়গঞ্জে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ পালুত বন্যা বিষয়ক গণসচেতনতামূলক “মাঠ মহড়া” অনুষ্ঠিত “মানুষের পাশে মানুষ’–রাজারহাটে অনন্য দৃষ্টান্ত ইউএনওর, সংবাদ দেখে ছুটে গেলেন প্রতিবন্ধী রফিকুলের বাড়ি। উদ্বোধনের তিন বছর পরও অচল পলাশবাড়ী মডেল মসজিদ, জেলা প্রশাসকের নির্দেশেও মিলছে না অগ্রগতি গোবিন্দগঞ্জে পেট্রোল মজুদ করে বিক্রির অপরাধে এক ব্যবসায়ী কারাদণ্ড দুপচাঁচিয়া নবাগত ওসির সঙ্গে উপজেলা প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দের মতবিনিময়

উদ্বোধনের তিন বছর পরও অচল পলাশবাড়ী মডেল মসজিদ, জেলা প্রশাসকের নির্দেশেও মিলছে না অগ্রগতি

পলাশবাড়ী(গাইবান্ধা)প্রতিনিধি / ২৪ Time View
Update : বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬

30

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় নির্মিত মডেল মসজিদ আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের প্রায় তিন বছর পেরিয়ে গেলেও আজও নিয়মিত নামাজ শুরু হয়নি। ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেম নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হলেও রহস্যজনক কারণে নিয়োগ প্রক্রিয়া থেমে আছে। ফলে প্রতিদিনের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ তো দূরের কথা, জুমার নামাজও নিয়মিতভাবে আদায় করা যাচ্ছে না।

গত ২৩ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে পলাশবাড়ী উপজেলা হলরুমে আয়োজিত পরিচিতি ও মতবিনিময় সভায় বিষয়টি সামনে আসে। সদ্য যোগদান করা গাইবান্ধার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লার উপস্থিতিতে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম খবরবাড়ি টুয়েন্টি ফোর ডটকমের সম্পাদক মুশফিকুর রহমান মিলটন বিষয়টি উত্থাপন করেন। তিনি বলেন, উদ্বোধনের পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও মসজিদটি কার্যত অচল পড়ে আছে, যা এলাকাবাসীর জন্য হতাশাজনক।
বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে জেলা প্রশাসক তাৎক্ষণিকভাবে পলাশবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ জাবের আহমেদকে নির্দেশ দেন। কেন নামাজ চালু হয়নি, দু-এক দিনের মধ্যে তার ব্যাখ্যা দিতে এবং দ্রুত সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলা হয়।

কিন্তু নির্দেশনার পাঁচ মাস পেরিয়ে গেলেও দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি চোখে পড়েনি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। এলাকাবাসীর প্রশ্ন, একটি রাষ্ট্রীয় প্রকল্পের অধীনে নির্মিত গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় স্থাপনা কেন এতদিনেও পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা গেল না?

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পলাশবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ জাবের আহমেদ বলেন, “বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। নিয়োগ ও প্রশাসনিক কিছু জটিলতার কারণে দেরি হচ্ছে। দ্রুত সমাধানের চেষ্টা চলছে।”
তবে স্থানীয়দের দাবি, বারবার আশ্বাসে আর আস্থা ফিরছে না। দ্রুত ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেম নিয়োগ দিয়ে নিয়মিত নামাজ চালুর মাধ্যমে মসজিদটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা হোক। অন্যথায় বহু প্রত্যাশার এই স্থাপনাটি কাগজে-কলমেই সীমাবদ্ধ থেকে যাবে।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা