• বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ১২:৪৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ শিশু ৪৪ ঘণ্টা পর মরদেহ উদ্ধার হরিপুরে জেলা প্রশাসকের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত শেরপুরে রাস্তা বন্ধের অভিযোগ, তদন্ত চেয়ে ইউএনওর কাছে আবেদন মধু মাসে স্বাদের ছোয়া কাসুন্দি জনবহুল ও শিক্ষাবান্ধব এলাকা বাদ দিয়ে প্রস্তাবিত বাইপাসের নতুন নকশা প্রণয়নের দাবিতে মানববন্ধন হরিপুর যাদুরাণী বাজারে ধানের বাজার চাঙ্গা বগুড়া শেরপুরে বজ্রপাতে প্রাণ গেল দাখিল পরীক্ষার্থীর কুড়িগ্রামে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, সীমান্তে উত্তেজনা রাষ্ট্রীয়ভাবে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উদযাপনে ব্যাপক কর্মসূচি দেশে উৎপাদিত অ্যালকোহলে লিটারপ্রতি ৫০০ টাকা ভ্যাট বসছে

উদ্বোধনের তিন বছর পরও অচল পলাশবাড়ী মডেল মসজিদ, জেলা প্রশাসকের নির্দেশেও মিলছে না অগ্রগতি

পলাশবাড়ী(গাইবান্ধা)প্রতিনিধি / ৬২ Time View
Update : বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬

69

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় নির্মিত মডেল মসজিদ আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের প্রায় তিন বছর পেরিয়ে গেলেও আজও নিয়মিত নামাজ শুরু হয়নি। ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেম নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হলেও রহস্যজনক কারণে নিয়োগ প্রক্রিয়া থেমে আছে। ফলে প্রতিদিনের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ তো দূরের কথা, জুমার নামাজও নিয়মিতভাবে আদায় করা যাচ্ছে না।

গত ২৩ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে পলাশবাড়ী উপজেলা হলরুমে আয়োজিত পরিচিতি ও মতবিনিময় সভায় বিষয়টি সামনে আসে। সদ্য যোগদান করা গাইবান্ধার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লার উপস্থিতিতে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম খবরবাড়ি টুয়েন্টি ফোর ডটকমের সম্পাদক মুশফিকুর রহমান মিলটন বিষয়টি উত্থাপন করেন। তিনি বলেন, উদ্বোধনের পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও মসজিদটি কার্যত অচল পড়ে আছে, যা এলাকাবাসীর জন্য হতাশাজনক।
বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে জেলা প্রশাসক তাৎক্ষণিকভাবে পলাশবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ জাবের আহমেদকে নির্দেশ দেন। কেন নামাজ চালু হয়নি, দু-এক দিনের মধ্যে তার ব্যাখ্যা দিতে এবং দ্রুত সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলা হয়।

কিন্তু নির্দেশনার পাঁচ মাস পেরিয়ে গেলেও দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি চোখে পড়েনি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। এলাকাবাসীর প্রশ্ন, একটি রাষ্ট্রীয় প্রকল্পের অধীনে নির্মিত গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় স্থাপনা কেন এতদিনেও পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা গেল না?

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পলাশবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ জাবের আহমেদ বলেন, “বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। নিয়োগ ও প্রশাসনিক কিছু জটিলতার কারণে দেরি হচ্ছে। দ্রুত সমাধানের চেষ্টা চলছে।”
তবে স্থানীয়দের দাবি, বারবার আশ্বাসে আর আস্থা ফিরছে না। দ্রুত ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেম নিয়োগ দিয়ে নিয়মিত নামাজ চালুর মাধ্যমে মসজিদটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা হোক। অন্যথায় বহু প্রত্যাশার এই স্থাপনাটি কাগজে-কলমেই সীমাবদ্ধ থেকে যাবে।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা