পলাশবাড়ীতে হত্যা মামলার এক আসামি গ্রেফতার
গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় গৃহবধূ কে গলাকেটে হত্যা মামলার এক আসামি কে ঢাকা থেকে ৩৯ দিন পর গ্রেফতার করেছে র্যাব।
বৃহস্পতিবার সকালে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয় জানান র্যাব-১৩ এর মিডিয়া বিভাগের সিনিয়র সহকারী পরিচালক বিপ্লব কুমার গোস্বামী।
মামলার এজাহারের বরাত দিয়ে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সতেরো বছর আগে গৃহবধূ ববিতা বেগমের সাথে মোঃ হারুন মোল্লার ইসলামি শরিয়ত মোতাবেক বিয়ে হয়। হারুন মোল্লা তার পরিবার নিয়ে উপজেলার একটি এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতো।
বেশ কিছু দিন যাবৎ নিহত গৃহবধূ ববিতার সাথে তার স্বামীর পারিবারিক বিষয় নিয়ে মনোমালিন্য চলে আসছিল। একপর্যায়ে গৃহবধূ রাগ করে তার বাবার বাড়িতে চলে যায়। পরে হারুন ও আশরাফুল বাবার বাড়ি থেকে কৌশলে বুঝিয়ে আবার ভাড়া বাড়িতে নিয়ে আসে। এরপর ২৮ মার্চ ওই নিহত গৃহবধূর মা লোকমুখে জানতে পারে তার মেয়ে কে গলাকেটে হত্যা করা হয়েছে।
পরে তিনি দ্রুত তার জামাই এর ভাড়া বাসায় গিয়ে খাটের ওপর তার মেয়ে ববিতার গলাকাটা লাশ দেখতে পান। তারপর সেই দিনই নিহত গৃহবধূর মা বাদী হয়ে পলাশবাড়ী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ঘটানাটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যকর সৃষ্টি হয়। হত্যাকারীরা গা ঢাকা দেয়। আসামিদের গ্রেফতারে অভিযানে নামে র্যাব।
গ্রেফতার এড়াতে গৃহবধু হত্যা মামলার আসামি আনারুল মোল্লা ঢাকার জসিমউদ্দীন নামে একটি এলাকায় আত্নগোপন করে আছে, এমন তথ্যর ভিত্তিতে র্যাব-১৩ গাইবান্ধা ক্যাম্প ও র্যাব-১ রুপগঞ্জ, নারায়নগঞ্জের সদস্যরা মঙ্গলবার রাত ১১ টা ৪৫ মিনিটের দিকে যৌথভাবে সেখানে অভিযান চালায়।
অভিযানিক দল ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে গৃহবধূ কে গলাকেটে হত্যা মামলার সাথে জড়িত আনারুল মোল্লা কে গ্রেফতার করে। গ্রেফতার আনারুল মোল্লা(৩০) সাদুল্লাপুর উপজেলার চক ভগবানপুর গ্রামের মৃত সাকি মোল্লার ছেলে। সেই সাথে মামলার প্রধান আসামি হারুনের ভাই। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য গ্রেফতার আসামি কে পলাশবাড়ী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।