• সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ০১:২৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
শেরপুর পূজা উদযাপন পরিষদের নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠন: শ্যাম আহ্বায়ক, কৃষ্ণ যুগ্ম আহ্বায়ক কুড়িগ্রামে আটক করা ২ বস্তা ভারতীয় কিটক্যাট চকলেট ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ বিএনপি কর্মীর বিরুদ্ধে শিবগঞ্জে যুব উন্নয়ন ক্লাবের ফুটবল ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত শিবগঞ্জে পবিত্র আশুরা উপলক্ষে শোক মিছিল ও মাতম ঠাকুরগাঁওয়ে কমিউনিটি সেন্টারের পাশে যুবকের মরদেহ উদ্ধার। কুড়িগ্রামে শিক্ষকদের সঙ্গে এমপি ড. আতিক মুজাহিদ এর মতবিনিময় সভা কুড়িগ্রাম জেলা উন্মুক্ত দাবা চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠিত “যমুনায় বিলীন শতবর্ষী বিদ্যালয়, বাঁধের টিনের চালায় চলছে পাঠদান” বগুড়ার শেরপুরে ‘তৌহিদী জনতা’র কালিমার পতাকা মিছিল শুক্রবার পবিত্র জুম্মা ও আশুরা দিন

গোদাগাড়ীতে মাদক মামলার ভয় দেখিয়ে হয়রানির অভিযোগ

রাজশাহী প্রতিনিধি: / ৯৭ Time View
Update : বুধবার, ৬ মে, ২০২৬

111

গোদাগাড়ীতে মাদক মামলার ভয় দেখিয়ে হয়রানির অভিযোগ

রাজশাহীর গোদাগাড়ী মডেল থানার দুই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মাদক মামলার ভয় দেখিয়ে হয়রানি ও ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই জুয়েল রানা ও সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মজনু মিয়ার বিরুদ্ধে ডিআইজি, রাজশাহী রেঞ্জ বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগীর জামাতা।

৬ মে (বুধবার) দেওয়া ওই অভিযোগপত্রে গোদাগাড়ী পৌরসভার রামনগর মহল্লার বাসিন্দা মো. কামরুজ্জামান উল্লেখ করেন, গত ৩ মে রোববার বিকাল আনুমানিক ৫টার দিকে সাদা পোশাকে এসআই জুয়েল রানা ও এএসআই মজনু মিয়া পৌরসভার বেলতলা মহল্লায় তার শ্বশুর বাবুল আখতারের বাড়িতে যান।

এসময় দুই পুলিশ কর্মকর্তা বাবুল আখতারকে মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত বলে উল্লেখ করে জাতীয় পরিচয়পত্র দাবি করেন। এনআইডি না দিলে তারা জোরপূর্বক মোবাইলে ছবি তোলেন এবং জরুরি ভিত্তিতে থানায় গিয়ে ওসির সাথে দেখা করতে বলেন। এ সময় তারা ভয়ভীতি দেখিয়ে চরম আতঙ্কজনক পরিস্থিতির সৃষ্টি করেন বলে দাবি করা হয়।

কামরুজ্জামানের দাবি, তার শ্বশুর বাবুল আখতার একজন শ্রমজীবী মানুষ। তিনি ঢাকায় নির্মাণ শ্রমিক সরবরাহের ঠিকাদারি করেন এবং এলাকায় থাকেন না। তিনি কখনোই মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত ছিলেন না এবং তার বিরুদ্ধে পূর্বে কোনো জিডি বা মামলাও নেই।

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, ওই দুই পুলিশ কর্মকর্তা থানার ওসি আতিকুর রহমানের অনুমতি না নিয়ে বাড়িতে গিয়েছেন বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে। বিষয়টি নিয়ে এসআই জুয়েল রানার সাথে ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি ‘থানায় গিয়ে সরাসরি কথা বলতে’ বলেন। সেই কথোপকথনের অডিও রেকর্ড সংরক্ষিত আছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগকারী কামরুজ্জামান বলেন, “এ ঘটনার পর থেকে আমরা চরম আতঙ্কের মধ্যে আছি। যেকোনো সময় মাদক উদ্ধারের নাটক সাজিয়ে আমাদের ক্ষতিগ্রস্ত করা হতে পারে। আমরা নিরপেক্ষ তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা চাই।”

এএসআই মজনু বলেন, আমাকে সেকেন্ড স্যার (এসআই জুয়েল) নিয়ে গেছে।আপনারা তার সাথে কথা বলেন এবং ওসির সাথে কথা বলেন। আমি কারও কাছে টাকা পয়সা চাইনি। যা বলার সেকেন্ড স্যারকে ( এসআই জুয়েল) বলেন।

এ বিষয়ে গোদাগাড়ী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আতিকুর রহমান বলেন, আইডি কার্ড নিয়ে আমার সাথে দেখা করার জন্য আমি কাউকে কোনো নির্দেশ দেইনি। এসআই জুয়েল কেন এমনটি করেছেন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান চলমান আছে। তালিকাভুক্ত কারবারিদের আইনের আওতায় আনা হবে। তবে প্রচলিত নিয়মের বাইরে কাউকে থানায় ডাকার বিষয়ে আমার কোনো নির্দেশনা নেই। পরে এসআই জুয়েলের সাথে থাকা এএসআই মজনুকে ডেকে শাষিয়েছেন ওসি।তিনি বলেন, যে কাজ দিয়েছি সেই কাজ করেন। আপনাদের বলেছি আমি যে, আমার সাথে দেখা করার কথা। যা বলেছি তাই করেন। বেশি কিছু কইরেন না।
এসআই জুয়েল রানা বলেন, ওসি স্যারের নির্দেশ মাদক কারবারি থানায় ডাকা হয়েছিলো। আমি কারো নিকট অনৈতিক সুবিধা গ্রহণ করিনি।

শামসুল ইসলাম
রাজশাহী
০১৭১১৩৯৫২৩৯


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা