• মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১০:১৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
দেশের অর্থনীতিকে তিন ধাপে সাজাতে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী একুশে পদকপ্রাপ্ত বরেণ্য চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার আর নেই শেরপুরে ৮ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার শেরপুর পূজা উদযাপন পরিষদের নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠন: শ্যাম আহ্বায়ক, কৃষ্ণ যুগ্ম আহ্বায়ক কুড়িগ্রামে আটক করা ২ বস্তা ভারতীয় কিটক্যাট চকলেট ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ বিএনপি কর্মীর বিরুদ্ধে শিবগঞ্জে যুব উন্নয়ন ক্লাবের ফুটবল ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত শিবগঞ্জে পবিত্র আশুরা উপলক্ষে শোক মিছিল ও মাতম ঠাকুরগাঁওয়ে কমিউনিটি সেন্টারের পাশে যুবকের মরদেহ উদ্ধার। কুড়িগ্রামে শিক্ষকদের সঙ্গে এমপি ড. আতিক মুজাহিদ এর মতবিনিময় সভা কুড়িগ্রাম জেলা উন্মুক্ত দাবা চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠিত

নওগাঁর কোলা হাটের হলুদ এখন পৌঁছে যাচ্ছে সারাদেশে

সিজান সিদ্দিকী, বদলগাছী (নওগাঁ) প্রতিনিধি / ১২৮ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০২৬

136

 

নওগাঁর বদলগাছী হলুদ বেচাকেনার এখন বড় মোকাম উপজেলার কোলার হাট, এখানকার হলুদ যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন এলাকায়। এবার দাম ও ফলন ভালো পেয়ে হলুদের রঙে রঞ্জিত এলাকার হলুদ চাষীরা। বিগত বছরের তুলনায় হলুদের দাম কম হলেও ভন্যান্য ফসলের বাজার মূল্য অনুসারে হলুদের দাম অনেক বেশী হওয়ায় আনন্দিত চাষীরা। হাটে হলুদ বিক্রি করে এমন মন্তব্য করেন অনেক হলুদ চাষী। উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর সুত্রে জান যায় চলতি মৌমুমে উপজেলায় ৮৫ হেক্টর জমিতে হলুদ চাষ হয়েছে। এর মধ্যে জাত মহিষবাটি, হরিণপাঁজর, বারি হলুদ -১, বারি হলুদ ২ চাষ হয়েছে। প্রতি বিঘা ফলন হয়েছে ৮০ থেকে ১শত মন পর্যন্ত। হলুদ একটি মসলা জাতীয় ফসল। অধিকাংশ রান্নার ক্ষেত্রে হলুদ প্রয়োজন। হলুদ চাষীরা জানান হলুদ চাষে তাঁরা আর্থিক ভাবে অনেক লাভবান হয়েছে। সংসারের প্রয়োজনের তাগিদে অধিকাংশ কৃষক ফসলি জমির পাশে দুআড়াই কাটা জমিতে হলুদ চাষ করে। কেউ কেউ আরো কম আবার কোন কৃষক ব্যনিজ্যিক ভাবে দুতিন বিঘা জমিতে হলুদ চাষ করে। বিঘা প্রতি ৮০/১০০শত মন পর্যন্ত হলুদের ফলন হয়েছে। সংসারের চাহিদা মিটিয়ে উদবৃত্ত হলুদ বাজারে বিক্রি করে তাঁরা অনেক লাভবান হয়েছে। অনেক কৃষকের ভাগ্য বদলে গেছে হলুদ চাষে। বারফালা গ্রামের মাসুদ রানা বলেন ১৫ কাঠা জমিতে হলুদ চাষ করে। ১২ টাকা মন দরে ৫মন বিক্রি করলাম। ৮০ মন হারে ফলন হবে। মুক্তার পাড়ার জাহিদুল জানায় ৮ কাঠা জমিতে হলুদ চাষ করেছি সাড়ে ১৩শ টাকা মন দরে বিক্রি করলাম ৩ মন। হলুদ ব্যবসায়ী ছানোয়ার হোসেন জানায় ৬শত মন হলুদ কিনেছে। হলুদের কোয়ালিটি অনুসারে ১ হাজার থেকে ১৪শ টাকা পর্যন্ত কেনাকাটা করা হয়েছে। ব্যবসায়ীরা বললেন প্রতিহাটে প্রায় ১০ হাজারম হলুদ কেনাবেচা করা হয় কোলার হাটে। এ সব হলুদ চলে যায় দেশের বিভিন্ন এলকায়। ঐ ব্যবসায়ীরা আরো জানান গত বছরের তুলনায় হলুদের বাজার মূল্য এবার কম হলেও অতিরিক্ত ফলন হওয়ায় ভাগ্য বদলে গেছে চাষীদের। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাবাব ফারহান জানান, “হলুদ একটি মসলা জাতীয় ফসল। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ বছর হলুদসহ মসলা ফসলের আবাদের ভালো সম্ভাবনা রয়েছে। একই সাথে বস্তায় আদা চাষের পাশাপাশি বসতায় হলুদসহ অন্যান্য মসলা ফসল চাষে উঠান বৈঠকের মাধ্যমে কৃষকদের পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে।”


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা