• শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৪৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
গাইবান্ধায় অর্থ আত্মসাতের মিথ্যা অপবাদের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন গাইবান্ধায় মাদকের অভয়ারণ্য রুখতে প্রশাসনের চরম ব্যর্থতা যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয় পেতে ভুয়া সমকামী পরিচয়ের অভিযোগ, উদ্বেগ বিশেষজ্ঞদের রাজবাড়ীতে অপহরণের পর মুক্তিপণ দাবি, অপহৃতকে উদ্ধারসহ গ্রেফতার ৫ ঠাকুরগাঁওয়ে হাম-রুবেলা টিকাদান উপলক্ষে সাংবাদিক সম্মেলন ঠাকুরগাঁওয়ে বারি পেঁয়াজ-৫ বীজ উৎপাদনে মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত শিবগঞ্জে ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ গোবিন্দগঞ্জ বাগদা ফার্ম ভুমি উদ্ধার কমিটির সাবেক সভাপতি ডাঃ ফিলিমন বাস্কের অগণতান্ত্রিক কর্মকান্ডের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন, নীলফামারীর সংরক্ষিত আসনে তৃনমুলের ভরসা বিলকিস ইসলাম দুপচাঁচিয়ায় গৃহনির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়নের কমিটি বিলুপ্ত \ আহবায়ক কমিটি গঠন

ঐতিহাসিক ৭ মার্চ আজ: বাঙালির মুক্তি ও স্বাধীনতার মূলমন্ত্র

অনলাইন ডেস্ক / ৫২ Time View
Update : শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬

58

আজ ঐতিহাসিক ৭ মার্চ। বাঙালি জাতির দীর্ঘ মুক্তিসংগ্রাম ও স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় দিন। ১৯৭১ সালের এই দিনে তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) লাখো জনতার সামনে দাঁড়িয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার বজ্রকণ্ঠে স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন। মাত্র ১৮ মিনিটের সেই কালজয়ী ভাষণেই নির্ধারিত হয়েছিল বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রণকৌশল।

​১৯৭১ সালের এই পড়ন্ত বিকেলে বাঙালির অবিসংবাদিত এই নেতা ঘোষণা করেছিলেন— “এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।” তিনি ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোলার নির্দেশ দিয়ে বলেছিলেন, “তোমাদের যা কিছু আছে, তাই নিয়ে শত্রুর মোকাবিলা করতে হবে।” তার এই একটি ভাষণই নিরস্ত্র বাঙালি জাতিকে সশস্ত্র যোদ্ধায় রূপান্তরিত করেছিল।

​২০১৭ সালে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কো (UNESCO) এই ঐতিহাসিক ভাষণকে ‘বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য’ (World Documentary Heritage) হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে মেমোরি অফ দ্য ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্ত করে। ইতিহাসবিদদের মতে, এই ভাষণটি ছিল মূলত একটি অলিখিত স্বাধীনতার ঘোষণা এবং একটি পরাধীন জাতির মুক্তির চূড়ান্ত সনদ।

​উল্লেখ্য যে, দীর্ঘ সময় ধরে এই দিনটি রাষ্ট্রীয়ভাবে আড়ম্বরের সঙ্গে পালিত হয়ে আসলেও, ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এই দিবসটিসহ মোট আটটি জাতীয় দিবস সরকারিভাবে পালন না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতা না থাকলেও বাঙালির জাতীয় চেতনা ও স্বাধীনতার ইতিহাসে ৭ মার্চের গুরুত্ব আজও অমলিন।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা