• রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০৬:৩৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
কুড়িগ্রামে মরিচ ক্ষেতে গাঁজার চাষ, ১০ ফুট উচ্চতার গাঁজা গাছ জব্দ গ্রামীন সকল রাস্তা পাঁকাকরণ করা হবে -এমপি বিলকিস ইসলাম সলঙ্গায় মাদক ইভটিজিং প্রতিরোধে উঠান বৈঠক রাজশাহীতে রেস্তোরাঁয় হামলা ও ককটেল বিস্ফোরণ প্রতিবাদে মানববন্ধন বগুড়ার শেরপুরে ক্লাব ৯২-এর ফল উৎসব ও বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত সেই ৫০১ নম্বর কক্ষকে ‘বিজয়ের প্রতীক’ ঘোষণা মামুনুল হকের পল্লী বিদ্যুতের ছেঁড়া তারে কৃষকের মৃ/ত্যু, লা/শ খুঁজতে গিয়ে ছেলেও আহত ধুনটে রাইজিং স্টার ক্লাবের ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প, চিকিৎসাসেবা পেলেন ৩ শতাধিক মানুষ হাটিকুমরুলে মেডিপ্যাথ স্পেশালাইজড হাসপাতালের উদ্বোধন বগুড়ার আলোচিত দুই ইউনিয়নের নাম বদলানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ঐতিহাসিক সলঙ্গা বিদ্রোহ দিবস আজ

জি এম স্বপ্না / ১২৭ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারি, ২০২৬

136

 

ঐতিহাসিক সলঙ্গা বিদ্রোহ দিবস আজ ২৭ জানুয়ারি। ১৯২২ সালের এ দিনে তদানিন্তন ব্রিটিশ সরকারের লেলিয়ে দেওয়া পুলিশ বাহিনীর গুলিতে সলঙ্গার হাটে বিলেতি পণ্য বর্জন আন্দোলনের কর্মীসহ সাড়ে ৪ হাজার সাধারণ হাটুরে জনতা শহীদ হন।ব্রিটিশ শাসনামলে সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী অসহযোগ আন্দোলন ও খেলাফত আন্দোলনে জনতা উদ্বেলিত হয়ে বিলেতি পণ্য বর্জন করে স্বদেশি পণ্য ব্যবহারের সংগ্রাম শুরু করেছিলেন।এমনি একটি আন্দোলনের ঢেউ এসে আছড়ে পড়ে সলঙ্গায়।সে সময় তৎকালীন পাবনা জেলার এবং বর্তমান সিরাজগঞ্জ জেলার সলঙ্গায় একটি ব্যবসায়ীক জনপদ হিসেবে সপ্তাহে ২দিন হাট বসতো।
১৯২২ সালের ২৭ শে জানুয়ারি শুক্রবার ছিল বড় হাট বার।মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশের নেতৃত্বে অসহযোগ ও খেলাফত আন্দোলনের কর্মীরা হাটে নামেন বিলেতি পণ্য কেনা-বেচা বন্ধ করতে।আর এ স্বদেশি আন্দোলনের কর্মীদের রুখতে ছুটে আসে পাবনা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আর.এন দাস জেলা পুলিশ সুপার ও সিরাজগঞ্জ মহকুমা প্রসাশক এসকে সিনহাসহ ৪০ জন সশস্ত্র লাল পাগড়ীওয়ালা পুলিশ।
সলঙ্গার গো হাটায় ছিল বিপ্লবী স্বদেশি কর্মীদের অফিস।পুলিশ কংগ্রেস অফিস ঘেরাও পূর্বক গ্রেফতার করে মাওলানা আব্দুর রশিদকে।সঙ্গে সঙ্গে তাকে মুক্ত করতে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। বিদ্রোহে ফেটে পড়ে সলঙ্গার সংগ্রামী জনতা।জনতার ঢল ও আক্রোশ দেখে ম্যাজিস্ট্রেট জনতাকে ছত্রভঙ্গ করার জন্য গুলি চালাতে নির্দেশ দেয়।শুরু হয়ে যায় বুলেট বৃষ্টি।৪০টি রাইফেলের মধ্যে মাত্র ১টি রাইফেল থেকে কোনো গুলি বের হয়নি।এ রাইফেলটি ছিল একজন ব্রাহ্মণ পুলিশের।
হত্যাকাণ্ডে হতাহতের সরকারি সংখ্যা সাড়ে ৪ হাজার দেখানো হলেও বেসরকারি বিভিন্ন মতে এর সংখ্যা ১০ হাজারেরও অধিক বলে জানা যায়। মাওলানা আব্দুর রশিদ সলঙ্গা বিদ্রোহ উপনিবেশিক শাসনের ভিত লড়িয়ে দিয়েছিলেন।সলঙ্গার রক্তসিক্ত বিদ্রোহ শুধু বাংলার মাটিকে সিক্ত করেনি,সিক্ত করেছে সমগ্র উপমহাদেশ।যে রক্তে ভেজা পিচ্ছিল পথে অহিংস,অসহযোগ আন্দোলনে যা কিছু অর্জিত হয়েছে তা সলঙ্গা বিদ্রোহেরই ফসল।
দিবসটি পালন উপলক্ষে সলঙ্গায় মাওলানা আব্দুর তর্কবাগীশ পাঠাগার, বেগম নূরুন্নাহার তর্কবাগীশ ডিগ্রী কলেজ,সলঙ্গা সমাজ কল্যাণ সমিতি, তর্কবাগীশ মহিলা মাদরাসা,তর্কবাগীশ উচ্চ বিদ্যালয়,মাওলানা তর্কবাগীশ গবেষণা কেন্দ্র ও সলঙ্গা ফোরাম পৃথক পৃথকভাবে আলোচনা সভা,ক্রীড়া প্রতিযোগিতা,রেলী ও পুরস্কার বিতরণসহ নানা কর্মসুচীর আয়োজন করেছে।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা