• শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০২:০০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
রাজবাড়ীতে অপহরণের পর মুক্তিপণ দাবি, অপহৃতকে উদ্ধারসহ গ্রেফতার ৫ ঠাকুরগাঁওয়ে হাম-রুবেলা টিকাদান উপলক্ষে সাংবাদিক সম্মেলন ঠাকুরগাঁওয়ে বারি পেঁয়াজ-৫ বীজ উৎপাদনে মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত শিবগঞ্জে ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ গোবিন্দগঞ্জ বাগদা ফার্ম ভুমি উদ্ধার কমিটির সাবেক সভাপতি ডাঃ ফিলিমন বাস্কের অগণতান্ত্রিক কর্মকান্ডের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন, নীলফামারীর সংরক্ষিত আসনে তৃনমুলের ভরসা বিলকিস ইসলাম দুপচাঁচিয়ায় গৃহনির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়নের কমিটি বিলুপ্ত \ আহবায়ক কমিটি গঠন দুপচাঁচিয়ায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ উল্লাপাড়ায় নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ : ৩০ হাজার টাকা জরিমানা বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় তারেক রহমান

৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়বে বিএনপি : তারেক রহমান

অনলাইন ডেস্ক / ৬৪ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৫

72

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষণা দিয়েছেন, ২০৩৪ সালের মধ্যে বিএনপির লক্ষ্য হবে একটি ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি’ গড়ে তোলা, যা লাখ লাখ নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে।

বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত এক বার্তায় তিনি এ লক্ষ্য তুলে ধরেন।

তারেক রহমান বলেন, বিএনপি এমন একটি আধুনিক ও গণমুখী বাংলাদেশ গড়তে চায়, যেখানে প্রতিটি নাগরিক, বিশেষ করে নারীরা, গর্বের সঙ্গে দেশের প্রবৃদ্ধিতে অংশ নেবে। কোনো নারীকে তার পরিবার ও পেশার মধ্যে একটিকে বেছে নিতে হবে না এমন একটি ভারসাম্যপূর্ণ সমাজ গঠনের অঙ্গীকারও করেন তিনি।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) ২০২৪ সালের শ্রমশক্তি জরিপের তথ্য উদ্ধৃত করে তিনি বলেন, দেশের শ্রমবাজারে নারীদের অংশগ্রহণের হার এখনো পুরুষদের তুলনায় অনেক কম। যেখানে পুরুষদের কর্মসংস্থান হার ৮০ শতাংশ, সেখানে নারীদের অংশগ্রহণ মাত্র ৪৩ শতাংশ। এই বৈষম্যকে দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির অন্যতম প্রধান বাধা হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।

এই সমস্যা সমাধানে, বিএনপি সারা দেশে শিশু পরিচর্যা বা ‘চাইল্ড কেয়ার’-কে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কৌশলের অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ বিবেচনা করছে। তারেক রহমানের প্রস্তাব অনুযায়ী, বিএনপির পরিকল্পনায় রয়েছে: সব সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ডে-কেয়ার সেন্টার স্থাপন, সরকারি অফিসগুলোতে ধাপে ধাপে ডে-কেয়ার সেন্টার স্থাপনের জাতীয় পরিকল্পনা গ্রহণ, বড় বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও কারখানায় বাধ্যতামূলক ডে-কেয়ার ব্যবস্থা, শিশু পরিচর্যার ব্যবস্থা রাখা নিয়োগকর্তাদের জন্য কর সুবিধা ও সিএসআর ক্রেডিট প্রদান এবং নারী ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মান অনুযায়ী কেয়ারগিভারদের প্রশিক্ষণ ও সার্টিফিকেশন প্রদান।

তারেক রহমান বলেন, এই একটি সংস্কার নারীদের কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, পারিবারিক আয় উন্নয়ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির আর্থিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে পারে। এমনকি এটি দেশের জিডিপিতে প্রায় ১ শতাংশ পর্যন্ত যোগ করতে সক্ষম।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, তৈরি পোশাকশিল্পে কর্মরত শ্রমিকদের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ নারী, তাই কর্মজীবী মায়েদের অবদানকে অবমূল্যায়ন করা অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিকর।

ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্স করপোরেশন (আইএফসি) ও আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) গবেষণার উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, যেসব প্রতিষ্ঠান শিশু পরিচর্যার সুযোগ দেয়, সেখানে কর্মী ধরে রাখার হার বেশি এবং অনুপস্থিতি কম। এসব প্রতিষ্ঠান এক বছরের মধ্যেই এ খরচের আর্থিক সুফল পায়।

তারেক রহমানের ভাষায়, শিশু পরিচর্যা কোনো দয়া নয়, এটি সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবকাঠামোর অপরিহার্য অংশ। নারীর ক্ষমতায়নই জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতির মূল চালিকা শক্তি। শিশু পরিচর্যা, সমান মজুরি ও নিরাপদ কর্মপরিবেশের মাধ্যমে নারীর ক্ষমতায়নই আমাদের ভবিষ্যৎ অর্থনীতির ভিত্তি।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা