• শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৫৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
গাইবান্ধায় অর্থ আত্মসাতের মিথ্যা অপবাদের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন গাইবান্ধায় মাদকের অভয়ারণ্য রুখতে প্রশাসনের চরম ব্যর্থতা যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয় পেতে ভুয়া সমকামী পরিচয়ের অভিযোগ, উদ্বেগ বিশেষজ্ঞদের রাজবাড়ীতে অপহরণের পর মুক্তিপণ দাবি, অপহৃতকে উদ্ধারসহ গ্রেফতার ৫ ঠাকুরগাঁওয়ে হাম-রুবেলা টিকাদান উপলক্ষে সাংবাদিক সম্মেলন ঠাকুরগাঁওয়ে বারি পেঁয়াজ-৫ বীজ উৎপাদনে মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত শিবগঞ্জে ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ গোবিন্দগঞ্জ বাগদা ফার্ম ভুমি উদ্ধার কমিটির সাবেক সভাপতি ডাঃ ফিলিমন বাস্কের অগণতান্ত্রিক কর্মকান্ডের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন, নীলফামারীর সংরক্ষিত আসনে তৃনমুলের ভরসা বিলকিস ইসলাম দুপচাঁচিয়ায় গৃহনির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়নের কমিটি বিলুপ্ত \ আহবায়ক কমিটি গঠন

গাইবান্ধায় শিবির নেতা হত্যায় ওসিসহ ১৫ জনের নামে মামলা

শাহ মো মুশফিকুর রহমান / ১৮৪ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২১ আগস্ট, ২০২৫

65

 

গাইবান্ধার সাঘাটা থানার পাশের পুকুর থেকে সিজু মিয়া নামে এক শিবির নেতার লাশ উদ্ধারের ঘটনায় ওসিসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) দুপুরে  নিহতের মা রিক্তা বেগম বাদী হয়ে গাইবান্ধার আমলি আদালতে মামলাটি করেন।
সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করে বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট জাহিদ হাসান জানান, আদালতের বিচারক পাপড়ী বড়ুয়া মামলাটি তদন্ত করার জন্য সিআিইডকে নির্দেশ দেন।
আসামিরা হলেন, সাঘাটা থানার ওসি বাদশা আলম, এসআই রাকিবুল, মশিউর, লিটন মিয়া, উজ্জল, এএসআই মহসিন আলী সরকার, আহসান হাবীব, লিটন, কনস্টেবল হামিদুল ইসলাম, আজাদুল ইসলাম, নয়ন চন্দ্র, জয় চন্দ্র, কর্ম ধর্ম চন্দ্র, স্থানীয় সাব্বির, ইউসুফ আলী ও মমিনুল ইসলাম।
নিহত সিজু মিয়া গাইবান্ধা সদর উপজেলার গিদারী ইউনিয়নের বাগুড়িয়া গ্রামের দিনমজুর দুলাল মিয়ার ছেলে।
স্থানীয় কঞ্চিপাড়া ডিগ্রি কলেজের ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী সিজু গিদারী ইউনিয়ন শিবির সভাপতি ছিলেন।
গত ২৫ জুলাই সকালে সাঘাটা থানার পাশের সাঘাটা উচ্চ বিদ্যালয়ের পুকুরে কচুরিপানায় নিচ থেকে সিজুর লাশ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা।
তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি থানায় ঢুকে পুলিশের ওপর হামলা এবং অস্ত্র ছিনতাইয়ের চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হয়ে পাশের পুকুরে ঝাঁপ দেন।
থানার সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, সিজু একজন কনস্টেবলের রাইফেল ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। কয়েকজন তাকে ধরতে এলে তাদের ওপরও চড়াও হন। এ সময় পুলিশকে ছুরিকাঘাতের দাবিও করা হয়।
সে সময় পুলিশ জানায়, একটি চোরাই মোবাইল কেনেন সিজু। প্রযুক্তির সহায়তায় তা জানতে পেরে সিজুকে থানায় ডেকে নেওয়া হয়। তিনি জানান, মোবাইল ফোনটি তিনি স্থানীয় একটি দোকান থেকে কিনেছেন। পরে দোকানিকেও ডেকে নেয় পুলিশ। একপর্যায়ে পুলিশের রাইফেল ছিনতাইয়ের চেষ্টা ও বাধা দিতে গেলে ছুরিকাঘাত করে পালাতে গিয়ে পুকুরে ডুবে তার মৃত্যু হয়।
এদিকে নিহতের পরিবারের অভিযোগ, পুরোনো একটি মোবাইল ফোন কেনাবেচাকে কেন্দ্র করে সিজুকে ফোনে থানায় ডেকে নিয়ে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।
এদিকে, সিজুর লাশ উদ্ধারের পরদিন পুকুরে সিজুকে পুলিশ পিটিয়ে হত্যার একটি ভিডিও ভাইরাল হলে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়৷ সেই দিনই গাইবান্ধা পুলিস সুপারের কর্যালয় ঘেরাও করে এলাকাবাসী৷
ঘটনাটি তদন্তে চলতি মাসের প্রথম দিকে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
গত ২৯ জুলাই সরেজমিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন কমিটির প্রধান রংপুর রেঞ্জের অ্যাডিশনাল ডিআইজি মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেনসহ রংপুর রেঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রুনা লায়লা ও শরিফুল ইসলাম৷
তদন্তের কোনো অগ্রগতি না থাকায় ও সিজু হত্যায় জড়িতদের পুলিশদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়ায় নিহতের মা ঘটনার প্রায় মাস পরে আদালতে আজ এ মামলা দায়ের করেন।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা