নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে মা মেয়েকে এলোপাতারিভাবে মারপিট,ঘরের দরজা জানালায়,ঘরের বাড়ান্দায় থাকা তৈজসপত্রসহ গ্যাসের চুলা ভাংচুর করে প্রায় লাখ টাকার ক্ষতি করেছে দূর্বৃত্তরা। ঘটনাটি ঘটেছে কিশোরগঞ্জ সদর ইউনিয়নের কামারপাড়া গ্রামে। এ বিষয়ে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছে ভুক্তভোগীর স্বামী আমছারুল ইসলাম।
অভিযোগে জানাগেছে,কিশোরগঞ্জ সদর ইউনিয়নের কামারপাড়া গ্রামের আমছারুল ইসলামের সাথে একই গ্রামের মৃত টন্না মাহমুদের ছেলে মন্টু মিয়ার দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিলো। পূর্ব শত্রæতার জের ধরে গত ০২ জানুয়ারী-২০২৬ ইং সন্ধায় মন্টু মিয়া ও তার স্ত্রীসহ তাদের দলবল নিয়ে আমছরুলের বাড়ির ভিতরে ঢুকে লাঠি, ছোরা, লোহার রড দিয়ে ঘরের দরজা,জানালা,বাড়ান্দায় থাকা তৈজসপত্র ও গ্যাসের চুলা ভাংচুর করে। এসময় আমছারুলের স্ত্রী মোছাঃ তারমিনা বেগম ও তার মেয়ে লিয়ামনি আক্তার দেখতে পেয়ে তাদেরকে বাধা করিলে তাদের উপর চড়া হয়ে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজসহ এলোপাতারী ভাবে মারপিট করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছেলা ও ফোলা জখম করেন। আমছারুলের স্ত্রীর তারমিনা বেগমের চুলের মুঠি ধরে টানা হেছড়া করাসহ তার পড়নে থাকা ম্যাক্সি টান দিয়ে ছেড়ে বেইজ্জত শ্লীলতাহাণী করার চেষ্টা করে। শুধু তাই নয় ডান কানের স্বর্ণের দুলটি টানা হেছরা করে নিয়ে যায়। এর ফলে কানের নথনি কেটে গিয়ে রক্তাক্ত জখম হয়। স্থানীয় লোকজনসহ আমছারুল ইসলাম তার স্ত্রী ও মেয়েকে মেডিকেলে ভর্তি করান।
এদিকে আমছারুলের মেয়ের মোছাঃ লিয়ামনি আক্তার গলায় থাকা স্বর্ণের চেইনটি টান দিয়ে ছিড়ে নেন। এসব করেও তারা থেমে নেই আমছারুলের স্ত্রী মোছাঃ তারমিনা বেগমরে গলা চেপে ধরে তার শ্বাসরোধ করার চেষ্টা করে।
এবিষয়ে মিন্টু মিয়ার সাথে যোগাযোগ করতে না পারায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি
আনছারুল ইসলাম বলেন, পূর্ব পরিকল্পিতভাবে মিটু মিয়াসহ তার দলবল নিয়ে আমার বাড়ীর উপর হামলাসহ স্ত্রী ও মেয়েকে এলোপাতারিভাবে মারপিট করেছে। এমনকি আমার স্ত্রীর ও মেয়ের স্বর্ণ তারা কেড়ে নিয়ে যায়। আমি বিচার চেয়ে কিশোরগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছি।
এদিকে কিশোরগঞ্জ থানার ওসি লুৎফর রহমান জানান অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।