• সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ০১:৫৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
শেরপুর পূজা উদযাপন পরিষদের নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠন: শ্যাম আহ্বায়ক, কৃষ্ণ যুগ্ম আহ্বায়ক কুড়িগ্রামে আটক করা ২ বস্তা ভারতীয় কিটক্যাট চকলেট ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ বিএনপি কর্মীর বিরুদ্ধে শিবগঞ্জে যুব উন্নয়ন ক্লাবের ফুটবল ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত শিবগঞ্জে পবিত্র আশুরা উপলক্ষে শোক মিছিল ও মাতম ঠাকুরগাঁওয়ে কমিউনিটি সেন্টারের পাশে যুবকের মরদেহ উদ্ধার। কুড়িগ্রামে শিক্ষকদের সঙ্গে এমপি ড. আতিক মুজাহিদ এর মতবিনিময় সভা কুড়িগ্রাম জেলা উন্মুক্ত দাবা চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠিত “যমুনায় বিলীন শতবর্ষী বিদ্যালয়, বাঁধের টিনের চালায় চলছে পাঠদান” বগুড়ার শেরপুরে ‘তৌহিদী জনতা’র কালিমার পতাকা মিছিল শুক্রবার পবিত্র জুম্মা ও আশুরা দিন

ফ্যাসিবাদ রুখতে জনগণের অর্থনৈতিক মুক্তি নিশ্চিত করতে চান তারেক রহমান

অনলাইন ডেস্ক / ৮৭ Time View
Update : শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬

93

রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের মসজিদসমূহের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম এবং অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ের নেতাদের মাসিক সম্মানী প্রদান কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেছেন। শনিবার (১৪ মার্চ) সকাল ১০টায় এই কার্যক্রমের উদ্বোধনকালে তিনি বলেন, জনগণের রায়ে বিএনপি সরকার গঠনের পর নখ থেকে ভোটের কালি মোছার আগেই নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এই জনকল্যাণমূলক কাজগুলো শুরু করা হয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তি ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মাধ্যমেই একটি শক্তিশালী স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়া সম্ভব, যা ভবিষ্যতে আর কোনো ফ্যাসিবাদ বা তাবেদার শক্তির উত্থান রুখে দেবে।

​পাইলট প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি মসজিদের জন্য মাসিক ১০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে ইমাম ৫ হাজার, মুয়াজ্জিন ৩ হাজার এবং খাদেম ২ হাজার টাকা করে সম্মানী পাবেন। একইভাবে মন্দির, বৌদ্ধবিহার এবং গির্জার জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৮ হাজার টাকা; যেখান থেকে প্রধান ধর্মীয় ব্যক্তি ৫ হাজার এবং তার সহকারী ৩ হাজার টাকা করে পাবেন। এই সম্মানী সরাসরি ব্যাংকের মাধ্যমে প্রদান করা হবে এবং পর্যায়ক্রমে সারাদেশের সকল নিবন্ধিত উপাসনালয় এই সুবিধার আওতায় আসবে। এছাড়া বছরে দুইবার ধর্মীয় উৎসবে সংশ্লিষ্টদের জন্য বিশেষ বোনাস প্রদানের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

​প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে নারী সমাজের জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ এবং কৃষকদের জন্য আসন্ন ‘কৃষক কার্ড’ ও দেশব্যাপী ‘খালখনন কর্মসূচি’র কথাও তুলে ধরেন। তিনি বিশ্বাস করেন, নাগরিকদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করা গেলে আগামী ১০ বছরের মধ্যে বাংলাদেশ একটি স্বনির্ভর রাষ্ট্রে পরিণত হবে। অনুষ্ঠানে সরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা