• বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৪৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় তারেক রহমান কুড়িগ্রামে মেয়েদের প্রীতি হ্যান্ডবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত দুপচাঁচিয়ায় ডিএস কেজি মাদ্রাসায় বার্ষিক সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত কৃষক কার্ডের মাধ্যমে নতুন অগ্রযাত্রার সূচনা: ড. তিতুমীর সিরাজগঞ্জে “খেলাঘর” শিশুদের প্রাণবন্ত উৎসবে নববর্ষ উদযাপন কুইজ, কবিতা ও চিত্রাঙ্কণে মাতলো সৈয়দপুর; পহেলা বৈশাখে ‘সততসঞ্চারী’র অনুষ্ঠান দুপচাঁচিয়ায় সাকসেসফুল স্টুডেন্টস এসোসিয়েশনের মেধা বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে দুপচাঁচিয়ায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও লোকজ মেলা উল্লাপাড়ায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে পহেলা বৈশাখ উদযাপন কিশোরগঞ্জে গ্ৰামীন সাঁজে জাঁকজমক পূর্ণ বৈশাখী শোভাযাত্রা

আত্রাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স’র ল্যাবকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করে ডাক্তারদের টেস্ট বাণিজ্যে চরমে। রোগীদের ভোগান্তি,,,

সিজান সিদ্দিকী, নওগাঁ প্রতিনিধি / ৭৮ Time View
Update : বুধবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

60

 

নওগাঁর আত্রাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর কতিপয় ডাক্তাররা তাদের হাসপাতালের নিজস্ব প্যাথলজি বিভাগ থাকার পরও প্রায় তারা হাসপাতালে না করিয়ে তাদের মনোনীত ডায়াগনস্টিক সেন্টার এ পাঠান। এতে করে রুগীরা হয়রানির শিকার হচ্ছে এবং হাসপাতালের ল্যাবের আয় কমে যাচ্ছে।আমার প্রশ্ন কেন হাসপাতালে প্রায় সব চেষ্টা হলেও ডাক্তার কেন টেস্ট করতে রোগীকে বাহিরে ডায়াগনস্টিক সেন্টার পাঠায়।

কতিপয় ডাক্তার তাদের মনোনীত ডায়াগনস্টিক সেন্টার এ পাঠানো এখন রুটিনে দাঁড়িয়েছে। অন্য ডায়াগনস্টিক থেকে রিপোর্ট করালে তারা রিপোর্ট দেখতে চাননা বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

হাফিজা নামে এক রোগী বলেন,আমি আঙ্গুলে একটু ব্যথা নিয়ে ডাক্তারের কাছে এসেছি গুরুতর ব্যথা না তবু ও দুটি টেস্ট লিখে দিয়েছে এবং বাহিরে থেকে করে নিয়ে আসতে বলেছে।আমি গরীব মানুষ ঠিক জানি না কত টাকা খরচ হবে।

মজিবর রহমান নামে এক রোগী বলেন, আমি এসেছি উপজেলার শেষ ইউনিয়ন হাটকালুপাড়া ইউনিয়ন থেকে।পাঁচ টাকা দিয়ে টিকিট কেটে হাঁটু ও মাজা ব্যথার কথা বলতেই এক্সরে সহ
২টি টেস্ট লিখে দিয়ে বলেছে এখানে করলে দেরি হবে বাহির থেকে করে নিয়ে আসেন।

খয়বর নামের আরো এক রোগী বলেন,আমি ডাক্তার দেখিয়ে টেস্ট করে এসে দেখি ডাক্তার নেই ডিউটির সময় নাকি পার হয়ে গেছে। রিপোর্ট নিয়ে গিয়ে ডাক্তার কে পাওয়া যায় না বলে পরের দিন আবার যেতে হয়। এতে করে আত্রাই আসা যাওয়া বাবদ টাকা এবং সময় দুইটাই চলে যায়।

ডাক্তাররা ডায়াগনস্টিক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ায় তারা হাসপাতালের রুগীদের কে তাদের সেন্টার মুখী করতে ব্যস্ত থাকেন।

এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রোকসানা হ্যাপির যোগাযোগ করলে তিনি কোন মন্তব্য করেননি।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা