সিরাজগঞ্জ জেলা সদরের ধলডোব বাগবাটী দাখিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত সুপার আশরাফ আলী অবৈধভাবে গাছ বিক্রি প্রতিষ্ঠানটির নামে জমি দখল নিয়োগ বানিজ্য ব্যবস্থাপনা কমিটি দাতা সদস্যের স্বাক্ষর জাল করায় গুরুত্বর অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মোঃ শামছুল হক ১৮/০৮/২০২৫ইং তারিখে সিরাজগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ৬/৮/২৫ তারিখে ২০০৯ অনুযায়ী তথ্য অধিকার আইন মোতাবেক দূনীতি দমন কমিশন বরাবর একটি আবেদন করেছেন। কমিশন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সচিব কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ, শিক্ষা মন্ত্রনালয় সচিবালয় বরাবর প্রেরণ করেন। ১৩/০১/২০২৫ইং তারিখ মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর পরিদর্শন রাজশাহী বিভাগ শাখার পরিদর্শক লিপি রানী পরিদর্শক রাজশাহী বিভাগ বর্ণিত সকল অভিযোগের তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী ভারপ্রাপ্ত সুপার আশরাফ আলীর বেতন ভর্তি সাময়িক স্থগিত সহ কেন ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে না ৭ম কর্ম দিবসের মধ্যে জবাব দানের নির্দেশ দেন। ০৪/০৪/২৫ তারিখে সামাজিক বন বিভাগ পাবনা সহকারি বন সংরক্ষক সিরাজগঞ্জ রিজিয়া পারভীন গাছ কাটার প্রতিবেদন দিয়েছেন। ১৮/০৩/২৫ তারিখে মাদ্রাসায় সরজমিন তদন্তের সময় গাছ কর্তন করা হয়েছে দেখতে পাই। কিছু কাটা গারে মাথা এখনও বিদ্যমান রয়েছে। গাছ কাটার বিষয়ে সামাজিক বন বিভাগ পাবনা কর্তৃক মাকিং তালিকা মূল্য নিধারণ করা সহ অনুমতি পত্র দেখতে পারে অভিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত সুপার। বিষয়টি তদন্ত কর্মর্খর্তা বিভাগীয় বন কর্মকর্তা বণবিভাগ পাবনাকে প্রেরণ করেছেন বলে তদন্ত প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে। ১৯/০৩/২৫ তারিখে মাদ্রাসা রেজুলেশন নং ২/১৫ সভার কার্য বিবরণী বহি মোতাবেক ৯নং কলামে উল্লেখিত আবু সাইদ খোকন দাতা সদস্যের স্বাক্ষর জালিয়াতী করায় যতগুরুত্বর অভিযোগ পাওয়া গেছে। সভাটিতে গাছ কাটার বিষয়টির ব্যাপারে যখন শামছুল হক বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন অব্যাহত রেখেছেন সেখানে নাম মাত্রা সভা করে আসবাবপত্র তৈরি মসজিদ নির্মান করার আত্মসাত করেছে সুপার। মাদ্রাসার বিষয়ে আবদেন করার অভিযোগের ভিত্তিতে সরজমিনে তদন্তে গেলে এলাকাবাসী এ প্রতিনিধির নিকট জনান মাদ্রাসা ভারপ্রাপ্ত সুপার আশরাফ আলী চতুর প্রকৃতির ব্যক্তি। সর্বশেষ তদন্ত করেছেন সিরাজগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক মিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপার ভাইজার আতিকুর রহমান তালুকদার গাছকাটা নিয়োগ বাজিন্য, মাদ্রাসার জমি দখল প্রতিষ্ঠাতা সদস্য শামছুল হকের সাধারণ সভায় না ডাকা দাতা সদস্যের স্বাক্ষর জাল করারর বিষয়ে দতন্ত করবেন। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত আতিকুর রহমান তালুকদার এক প্রশ্নের জবাবে বলেন আবেদনকারী ও অভিযুক্ত পদের লিখিত নিয়েছি। পর্যালোচনা করে তদন্ত প্রতিবেদন তাড়াতারি দেব। এলাকা বাসীর দাবি তদন্তকর্মকর্তা সঠিক তদন্ত প্রতিবেদন দিলে ভারপ্রাপ্ত সুপারের বিভাগীয় শাস্তি নিশ্চিত। সুপারের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায় নাই।