একসময় ঠাকুরগাঁও জেলার হরিপুর উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে পাটের আবাদ দেখা গেলেও বর্তমানে তা অনেকটাই কমে গেছে। উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি, শ্রমিক সংকট এবং বাজারে পাটের ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় অনেক কৃষক পাট চাষ থেকে সরে এসে ধান, ভুট্টা ও অন্যান্য লাভজনক ফসলের দিকে ঝুঁকছেন।
তবে উপজেলার কিছু এলাকায় এখনও পাটের আবাদ রয়েছে। সম্প্রতি উপজেলার একটি মাঠে দেখা গেছে সবুজে ঘেরা পাটক্ষেত, যা স্থানীয় কৃষকদের সাথে কথা বললে জানা যাই, পাট চাষে অনেক খরচ, বাজারে পাটের দাম কম তাই কৃষক পাট চাষের প্রতি অনিহা বোধ করছে। ঐতিহ্যবাহী এই ফসলের প্রতি আগ্রহেরই বহিঃপ্রকাশ করার জন্য কৃষকরা জানান, পাটের ভালো দাম নিশ্চিত করা গেলে আগামীতে আবাদ আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।
স্থানীয় কৃষকদের মতে, পাট বাংলাদেশের সোনালি আঁশ হিসেবে পরিচিত হলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এর আবাদ উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। কৃষি বিভাগের প্রয়োজনীয় সহায়তা ও বাজারে ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা গেলে কৃষকরা আবারও পাট চাষে আগ্রহী হবেন বলে মনে করেন তারা।