• শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১১:০৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে-প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম কুড়িগ্রামে নানা আয়োজনে এনটিভির ২৪-তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন উদ্ভাবনী কাজে কম সুদে ঋণের উদ্যোগ নেয়া হবে, মির্জা ফখরুল। কুড়িগ্রামে প্রথমবার উদ্ধার ‘ক্রিস্টাল মেথ আইস’,গ্রেফতার-১ ব্রহ্মপুত্রের রক্ষা বাঁধে ফের ধস, ঘুম হারাম নদীতীরের বাসিন্দাদের ডা. আব্দুস সালামের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সমন্বয়কের ভূমিকা পালন করছেন মাসুদ রানা হরিপুরে বেহাল সড়ক, কৃষক ও শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ চরমে নওগাঁর বদলগাছীতে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ-সার ও কৃষি উপকরণ বিতরণ হরিপুরে কমেছে পাটের আবাদ, বিকল্প ফসলে ঝুঁকছেন কৃষকরা বগুড়ার শেরপুরে ট্রাক-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ গেল তরুণের

ব্রহ্মপুত্রের রক্ষা বাঁধে ফের ধস, ঘুম হারাম নদীতীরের বাসিন্দাদের

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি / ২৫ Time View
Update : শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬

30

 

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র নদের ডানতীর রক্ষা বাঁধের কাঁচকোল সড়কটারী এলাকায় তিনটি স্থানে ধস ও একাধিক স্থানে ফাটল সৃষ্টি হয়েছে। এতে নদীতীরবর্তী এলাকায় ভাঙন ও বন্যা আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুরে ব্রহ্মপুত্রের ডানতীর রক্ষা বাঁধে ধসের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ রাকিবুল হাসান।

সরেজমিনে দেখা যায়, বাঁধের প্রায় আধা কিলোমিটার এলাকায় ১০, ১২ ও ৬ মিটার অংশের ব্লক পিচিং ধসে গেছে। এছাড়া অন্তত ১০টি স্থানে ফাটল দেখা দিয়েছে। ঝুঁকিতে রয়েছে প্রায় এক কিলোমিটার এলাকা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ৪৪৮ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ডানতীর রক্ষা প্রকল্পে ২০১৮ সাল থেকে একাধিকবার ধসের ঘটনা ঘটলেও স্থায়ী সমাধান হয়নি। ফলে প্রতি বর্ষা মৌসুমেই আতঙ্কে থাকতে হয় তাদের।

কাঁচকোল সড়কটারী এলাকার বাসিন্দা মো. খতিব উদ্দিন বলেন, ডানতীর রক্ষা বাঁধ নির্মাণের পর আমরা নদীভাঙন থেকে কিছুটা রক্ষা পেয়েছিলাম। কিন্তু কয়েক বছর ধরে বারবার ধসের ঘটনায় আমরা আবারও আতঙ্কিত হয়ে পড়েছি। পানি উন্নয়ন বোর্ড এখন পর্যন্ত স্থায়ী কোনো সমাধান দিতে পারেনি। বাঁধটি ভেঙে গেলে আমরা সর্বস্ব হারিয়ে আবারও ভাঙন ও বন্যার কবলে পড়ব।

স্থানীয় বাসিন্দা নুরজাহান বেগম ও নুর নাহার বেগম বলেন, ‘প্রতিবার বর্ষা মৌসুম এলেই আমরা আতঙ্কে থাকি। এবারও বাঁধে ধসের খবর শুনে দিন-রাত উদ্বেগে কাটছে। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে আমাদের বসতভিটা ও ফসলি জমি রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে।’

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিবুল হাসান জানান, জরুরি ভিত্তিতে জিওব্যাগ ডাম্পিং করা হচ্ছে। আশা হচ্ছে ২-১ দিনের মধ্যে বাঁধটি ঝুঁকিমুক্ত হবে।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা