মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে সংহতি রেখে শুক্রবার (২০ মার্চ) পবিত্র ঈদুল ফিতর উদ্যাপন করবে চাঁদপুরের অন্তত ৫০টি গ্রামের মানুষ। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সন্ধ্যায় হাজীগঞ্জ উপজেলার সাদ্রা দরবার শরিফের পীরজাদা মাওলানা মুফতি আরিফ চৌধুরী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
দীর্ঘ ৯৮ বছরের ঐতিহ্য মেনে প্রতি বছরই চাঁদপুরের এই গ্রামগুলোতে একদিন আগেই ঈদের আনন্দ শুরু হয়। ১৯২৮ সালে মরহুম পীর মাওলানা ইসহাক (রহ.) সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ উদ্যাপনের এই প্রথার সূচনা করেছিলেন। সেই থেকে তাঁর অনুসারীরা কোরআন ও হাদিসের আলোকে চাঁদ দেখার ভিত্তিতে এই নিয়ম পালন করে আসছেন।
ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল ৯টায় সাদ্রা দরবার শরিফ মাঠে, যেখানে ইমামতি করবেন পীরজাদা মাওলানা মুফতি জাকারিয়া চৌধুরী। দ্বিতীয় জামাতটি সকাল সাড়ে ৯টায় সাদ্রা হামিদিয়া ফাজিল মাদরাসা মাঠে অনুষ্ঠিত হবে, যার ইমামতি করবেন মুফতি আরিফ চৌধুরী। এছাড়াও হাজীগঞ্জ ও ফরিদগঞ্জসহ সংশ্লিষ্ট উপজেলাগুলোর বিভিন্ন ঈদগাহে স্থানীয়ভাবে জামাত আয়োজনের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
হাজীগঞ্জ উপজেলার সাদ্রা, বলাখাল, শ্রীপুর, মনিহার, বড়কুল ও রাজারগাঁওসহ বেশ কিছু গ্রাম এবং ফরিদগঞ্জ উপজেলার শাচনমেঘ, খিলা, উভারামপুর, পাইকপাড়া ও রূপসাসহ অন্তত ৫০টি গ্রামে শুক্রবার ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। শুধু চাঁদপুর নয়, দেশের আরও কয়েকটি জেলায় মাওলানা ইসহাক (রহ.)-এর অনুসারীরা একইভাবে কাল ঈদ উদ্যাপন করবেন।