• বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ১১:৩১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
শেরপুরে এমপি সিরাজের গণশুনানি, জনগণের সমস্যা শুনে সমাধানের আশ্বাস শেরপুরের বোংগা গ্রামে মাদকের আখড়া আতঙ্কে কিশোর-যুবক, নিরাপত্তাহীনতায় শিক্ষার্থীরা ৬৫ বছরের আইনি লড়াই শেষে পৈত্রিক জমি উদ্ধার, পেটানো হলো ঢাক-ঢোল রায়গঞ্জে জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ : আহত-৫ রাজশাহীতে আটককৃত হেরোইন বিক্রির অভিযোগ গোদাগাড়ী থানার এসআই জুয়েলের বিরুদ্ধে রাজশাহীতে বহুতল ভবনের নির্মাণ ত্রুটিতে হোটেলের ক্ষতি: পাওনা টাকা চাওয়ায় মালিককে প্রাণনাশের হুমকি কুড়িগ্রাম সীমান্তে বিজিবির নিরাপত্তা জোরদার ও সতর্ক অবস্থান গাইবান্ধায় শিশু কুলসুম হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার মারা গেলে আমার লাশটা নড়াইলে নিও না, বাবাকে অভিমানী মাশরাফির অনুরোধ ‎পৌরসভায় নাগরিক সেবা ও উন্নয়ন নিয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

ভাঙ্গুড়ায় ১২ রমজানেও জমেনি ঈদের কেনাকাটা: অলস সময় পার করছেন বিক্রেতারা

অনলাইন ডেস্ক / ৮৩ Time View
Update : সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬

86

পবিত্র ঈদুল ফিতর ঘনিয়ে এলেও পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার বিপণিবিতানগুলোতে এখনো ঈদের কেনাকাটার ধুম পড়েনি। রমজানের ১২ দিন পার হলেও মার্কেটগুলোতে ক্রেতাদের আনাগোনা তুলনামূলক কম থাকায় হতাশায় ভুগছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। সোমবার (২ মার্চ) উপজেলার বিভিন্ন শপিংমল ও মার্কেট ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

​সরেজমিনে দেখা যায়, ভাঙ্গুড়া উপজেলার নিউ সুপার মার্কেট, রহিমা জাফর শপিং প্লাজা, সাহেব সুপার মার্কেট ও মন্ডল প্লাজার মতো বড় বড় মার্কেটগুলোতে ঈদ উপলক্ষে বাহারি পোশাকের পসরা সাজানো হয়েছে। তবে অন্যান্য বছরের এই সময়ের তুলনায় এবার ক্রেতাদের উপস্থিতি খুবই নগণ্য। অনেক বিক্রেতাকে ক্রেতার অপেক্ষায় অলস সময় পার করতে দেখা গেছে। শুধু বড় মার্কেটই নয়, নিম্ন আয়ের মানুষের ভরসা ফুটপাতের দোকানগুলোতেও বেচাকেনা এখনো জমে ওঠেনি।

​কেনাকাটা করতে আসা পৌর সদরের চৌবাড়ীয়া মাস্টার পাড়া এলাকার বাসিন্দা মাসুদ করিম মাসুম বলেন, “বাচ্চাদের জন্য পাঞ্জাবি কিনতে এসেছি। তবে বাজারে ক্রেতা অনেক কম দেখলাম। হাতে সময় থাকায় হয়তো মানুষ এখনো কেনাকাটায় পুরোদমে নামেনি।”

​স্থানীয় কাপড় ব্যবসায়ীরা জানান, ঈদ উপলক্ষে অনেকেই এনজিও বা ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে নতুন সংগ্রহ তুলেছেন। কিন্তু রোজার শুরু থেকেই প্রত্যাশিত ক্রেতা না পাওয়ায় তারা উদ্বিগ্ন। ব্যবসায়ীদের ভাষ্যমতে, গ্রামীণ অর্থনীতি ও মানুষের ক্রয়ক্ষমতার সীমাবদ্ধতার কারণে হয়তো কেনাকাটা শুরু হতে কিছুটা দেরি হচ্ছে।

​তবে নিরাশ নন ব্যবসায়ীরা। তাদের প্রত্যাশা, ১৫ থেকে ২০ রমজানের পর থেকে পুরোদমে ঈদের কেনাকাটা শুরু হবে। তখন উপজেলার বিপণিবিতানগুলোতে উপচেপড়া ভিড় থাকবে এবং বর্তমান মন্দা ভাব কেটে যাবে বলে তারা আশা করছেন।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা