টাঙ্গাইলের মধুপুরে মামলা তুলে নেওয়ার হুমকির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মামলার বাদী জেসমিন আক্তার।
সোমবার (১৮ আগস্ট)বিকেলে মধুপুর উপজেলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন মধুপুর পৌর শহরের চাড়ালজানী এলাকার আঃ জলিলের মেয়ে জেসমিন আক্তার (২৮)। জেসমিন আক্তার জানান, একই এলাকার বিল্লাল হোসেন এর ছেলে উজ্জলের সহিত আমার বিবাহ হয়। আমাদের ঘরে একটি এক বছরের কন্যা সন্তান রয়েছে। আমার স্বামী আউশনারা ইউনিয়নের শিবরামবাড়ী ( রকিবেরমোড়) এলাকার ট্রাক ড্রাইভার শাহ আলমের হেলপার হিসেবে কাজ করতেন।
মধুপুরে বেকারি ও মশলা মিলে জরিমানা
মধুপুরে ২০টি চায়না জাল জব্দ পরবর্তীতে পুড়িয়ে ধংস
সে সুবাদে ড্রাইভার শাহ আলমের আমাদের বাড়ীতে যাতায়াত ছিলো। সে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ধরনের প্রলোভন দিয়ে আমাকে আমার বসত ঘরে একাধিক বার ধর্ষণ করে। বিয়ের কথা বলে আমাকে গত ১৮ জুলাই রাত এগারটার সময় পুর্বের ন্যায় ধর্ষণ করে। আমি বিয়ের কথা বললে সে পরের দিন ১৯ জুলাই মধুপুর কাজী অফিসে থাকতে বলে।তার কথামত কাজী অফিসে আসি তার দেখা না পেয়ে মোবাইল ফোনে কথা বলতে চেষ্ঠা করি সে মোবাইল ফোন বন্ধ রাখায় যোগাযোগ করতে না পেরে আমি তার বাড়ীতে গিয়ে খোজ খবর নিয়ে জানতে পারি বাড়ীতে নাই। পরবর্তীতে আমি ২১ জুলাই থানায় অভিযোগ করতে গেলে থানায় অভিযোগ না নেয়ায় আমি ৩০ জুলাই টাঙ্গাইল বিজ্ঞ আদালতে একটি মামলা করি। বর্তমানে আসামীপক্ষ মামলা তুলে নেয়ার জন্য হুমকী দিচ্ছে। দুইদিন আগে আসামী পক্ষের লোকজন আমাদের বাড়ীতে গিয়ে জোরপুর্বক আপোষনামায় সই নিয়ে গেছে এবং আমাকে এলাকা ছাড়া করবে বলে হুমকী দিয়ে যায়। এখন আমি আমার এক বছরের মেয়ে বাচ্চাকে নিয়ে নিরপত্তাহীনতায় ভুগছি। আমি এর সুষ্ঠ বিচার প্রার্থনা করছি।