• রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০১:০১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
কুড়িগ্রামে মরিচ ক্ষেতে গাঁজার চাষ, ১০ ফুট উচ্চতার গাঁজা গাছ জব্দ গ্রামীন সকল রাস্তা পাঁকাকরণ করা হবে -এমপি বিলকিস ইসলাম সলঙ্গায় মাদক ইভটিজিং প্রতিরোধে উঠান বৈঠক রাজশাহীতে রেস্তোরাঁয় হামলা ও ককটেল বিস্ফোরণ প্রতিবাদে মানববন্ধন বগুড়ার শেরপুরে ক্লাব ৯২-এর ফল উৎসব ও বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত সেই ৫০১ নম্বর কক্ষকে ‘বিজয়ের প্রতীক’ ঘোষণা মামুনুল হকের পল্লী বিদ্যুতের ছেঁড়া তারে কৃষকের মৃ/ত্যু, লা/শ খুঁজতে গিয়ে ছেলেও আহত ধুনটে রাইজিং স্টার ক্লাবের ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প, চিকিৎসাসেবা পেলেন ৩ শতাধিক মানুষ হাটিকুমরুলে মেডিপ্যাথ স্পেশালাইজড হাসপাতালের উদ্বোধন বগুড়ার আলোচিত দুই ইউনিয়নের নাম বদলানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

পল্লী বিদ্যুতের ছেঁড়া তারে কৃষকের মৃ/ত্যু, লা/শ খুঁজতে গিয়ে ছেলেও আহত

শেরপুর বগুড়া প্রতিনিধি / ২২ Time View
Update : শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬

27
বগুড়ার শেরপুরে উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন পল্লী বিদ্যুতের
ছিঁড়ে পড়া তারে জড়িয়ে কোরবান আলী (৪৫) নামের এক কৃষকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজ বাবাকে খুঁজতে গিয়ে একই তারে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গুরুতর আহত হয়েছে ছেলে মো. রবিন (১৮)। এছাড়া ফসলি জমিতে স্বামী ও সন্তানের নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখে স্ট্রোক করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন স্ত্রী রুবি খাতুন (৩৫)।
শুক্রবার (১৯ জুন) উপজেলার কুসুম্বী ইউনিয়নের টুনিপাড়া মৌজায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। হতাহতদের বাড়ি ওই ইউনিয়নের কেল্লা আকন্দ পাড়া গ্রামে।
নিহতের ভাতিজা নুর আলম শ্যালোক আব্দুল কাদের জানান, শুক্রবার ভোর ৬টার দিকে কোরবান আলী টুনিপাড়া মৌজায় নিজের জমিতে কাজ করতে যান। সেখানে সেচ পাম্পের জন্য টানা ১১ হাজার ভোল্টের একটি তার ছিঁড়ে ঝুলে ছিল। অসাবধানতাবশত ওই তারে
জড়িয়ে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান। সারাদিন তিনি বাড়ি না ফেরায় সন্ধ্যায় ছেলে রবিন তার বাবার খোঁজে ওই জমিতে যান। অন্ধকারে বাবার পড়ে থাকা দেহ স্পর্শ করামাত্রই রবিনও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ছিটকে পড়েন। পরে রাত ৭টার দিকে মা রুবি খাতুন প্রতিবেশী একজনকে সাথে নিয়ে সেখানে গিয়ে স্বামী ও সন্তানকে পড়ে থাকতে দেখে চিৎকার দিয়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন।
পরে স্থানীয়রা পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে যোগাযোগ করে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার পর তাদের উদ্ধার করে শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। রবিন বর্তমানে
সেখানে চিকিৎসাধীন থাকলেও মা রুবি খাতুনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে ওই রাতেই বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।
স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, তিন দিন আগে ঝড়ো হাওয়ায় সেচ পাম্পের ওই বিদ্যুৎ লাইনটি ছিঁড়ে পড়েছিল। কিন্তু সেচ পাম্পের মালিক বা পল্লী বিদ্যুৎ অফিস বিষয়টি গুরুত্ব না দেওয়ায় এই মর্মান্তিক প্রাণহানি ঘটেছে।
শেরপুর পল্লী বিদ্যুতের জোনাল কার্যালয়ের পরিদর্শক সবুজ কুমার হালদার বলেন, “তার ছিঁড়ে পড়ে থাকার বিষয়টি স্থানীয় কেউ আমাদের জানায়নি। সংবাদ পাওয়া মাত্রই আমরা সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে তারটি মেরামত করেছি।”
এ বিষয়ে শেরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জয়নুল আবেদীন বলেন, “ঘটনাটি অত্যন্ত
দুঃখজনক। এ ঘটনায় শুক্রবার রাতেই থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহ ময়নাতদন্ত ছাড়াই পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।”


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা