২৫ জন শিক্ষক-কর্মচারী ও প্রায় ৩০০ শিক্ষার্থী নিয়ে কলেজটির যাত্রা অব্যাহত রয়েছে। এ পর্যন্ত ২৪টি ব্যাচ পাস করেছে এবং ফলাফলও সন্তোষজনক। কিন্তু এমপিওভুক্ত না হওয়ায় শিক্ষক-কর্মচারীদের জীবন চলছে মানবেতরভাবে। ২০১৩ সাল থেকে বারবার আবেদন ও আন্দোলন সত্ত্বেও এখনো সরকারিভাবে কোনো অনুমোদন মেলেনি।
“এমপিওভুক্তির জন্য দুইবার আবেদন করেছি, কিন্তু কোনো সাড়া পাইনি। শিক্ষক-কর্মচারীরা বেতন ছাড়া দিন কাটাচ্ছেন, অনেকেই অন্য চাকরির সুযোগ হারাচ্ছেন। তবুও আমরা ছাত্রছাত্রীদের জন্য লড়ে যাচ্ছি।” — মো. মমিনুল ইসলাম, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ
শিক্ষকেরা জানান, মাসের পর মাস বেতন না পেলেও তারা নিয়মিত ক্লাস নিচ্ছেন। তাদের একমাত্র লক্ষ্য— এলাকার মেয়েদের শিক্ষার আলো পৌঁছে দেওয়া। স্থানীয়দের মতে, এই কলেজটি শুধু একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়, বরং নারী মুক্তির সিঁড়ি। এটি বন্ধ হয়ে গেলে সলঙ্গা ও আশপাশের এলাকায় নারী শিক্ষায় বড় ধাক্কা লাগবে।
২৬ বছরের পুরনো এই স্বপ্ন এখন সরকারের একটি স্বাক্ষরের অপেক্ষায়। স্থানীয়দের জোর দাবি— অতিদ্রুত সলঙ্গা মহিলা কলেজকে এমপিওভুক্ত করে নারী শিক্ষার অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখা হোক।