• শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ০২:৩০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
সলঙ্গায় অটোরিক্সা চালক নাঈম হত্যার বিচারের দাবীতে মানববন্ধন গাইবান্ধায় মোটরসাইকেল চোরচক্রের দুই সদস্য গ্রেপ্তার বালিয়াডাঙ্গীতে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ উপলক্ষ্যে পুরস্কার বিতরণী পলাশবাড়ীতে স্কুলছাত্রী ধর্ষণ মামলার আসামি রিফাত নারায়ণগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার পলাশবাড়ী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২৮ চিকিৎসক পদ শূন্য, চিকিৎসাসেবা চরম সংকটে শ্রমিক দিবসে পলাশবাড়ীতে বিভিন্ন সংগঠনের র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত গাইবান্ধায় মহান মে দিবস-২০২৬ পালিত আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে কুড়িগ্রামে জাতীয় শ্রমিক শক্তির র‍্যালি অনুষ্ঠিত প্রতি ১০ লিটার পেট্রোলে কম ৩৫২ মিলিলিটার, ফিলিং স্টেশনকে আড়াই লাখ টাকা জরিমানা পলাশবাড়ী ধর্ষণের ঘটনা ৩ লাখ টাকায় রফাদফা

সাদুল্লাপুর কে. এম পাইলট সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে অবকাঠামোগত সংকট

শাহ্ মো মুশফিকুর রহমান, স্যাদুল্লাপুর (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি / ১১৩ Time View
Update : রবিবার, ১৬ নভেম্বর, ২০২৫

118

 

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার নারী শিক্ষার অগ্রযাত্রায় অন্যতম ভূমিকা রাখা সাদুল্লাপুর কে.এম সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় উপজেলার একমাত্র সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে।

১৯৬৩ সালে প্রায় দুই একর জায়গার উপর শিক্ষানুরাগী অ্যাডভোকেট সৈয়দ নজরুল ইসলাম তার মা খোতেজা বেগম-এর স্মরণে প্রতিষ্ঠা করেন প্রতিষ্ঠানটি। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বিদ্যালয়টি এলাকায় মেয়েদের লেখাপড়ার সুযোগ বাড়াতে বিশেষ অবদান রেখে আসছে। ২০১৮ সালে বিদ্যালয়টি সরকারি করণের মাধ্যমে ‘সাদুল্লাপুর কে.এম সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়’ নামে পুনর্গঠিত হয়।

প্রশাসনিক কাঠামো ও শিক্ষার পরিবেশ

প্রতিষ্ঠার সময় দায়িত্ব পালন করেন প্রধান শিক্ষক মজিবুর রহমান। বর্তমানে প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মশিউর রহমান, এবং সহকারী প্রধান শিক্ষক পলাশ চন্দ্র সরকার। বিদ্যালয়ে বর্তমানে

শিক্ষার্থী সংখ্যা প্রায় ৭৮০ জন। শিক্ষক রয়েছেন ৩৪ জন, এবং অন্যান্য কর্মচারী ৮ জন।

১৯৯৫ সালে বিদ্যালয়ে ভোকেশনাল শাখা চালু হয়। শুরুতে ছাত্রী নিবাস থাকলেও বর্তমানে তা বন্ধ রয়েছে। দূর-দূরান্ত থেকে আসা অনেক ছাত্রী থাকার জায়গা না পাওয়ায় শিক্ষাজীবনে প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হচ্ছে। এ কারণে ছাত্রী নিবাস পুনরায় চালুর দাবী অভিভাবক ও স্থানীয়দের।

ফলাফলে সাফল্য, তবুও অবকাঠামোগত সংকট স্পষ্ট

২০২৫ সালের এসএসসি পরীক্ষায় র সাধারণ বিভাগ থেকে পরীক্ষার্থী ছিল ১০৫ জন, পাশ করেছে ৯৫ জন, যেখানে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৩ জন। পাশের হার ৯০.৪৮%।

অন্যদিকে কারিগরি বিভাগে পরীক্ষার্থী ছিল ৪৫ জন, পাশ করেছে ৪৪ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন। পাশের হার ৯৮%।

ফলাফল সন্তোষজনক হলেও বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত সংকট চরম। প্রতিষ্ঠার শুরুতে নির্মিত টিনশেড ও আধাপাকা ভবনগুলোই এখনো টিকে আছে জোড়াতালি দিয়ে। জাতীয়করণের আগে একটি চারতলা ভবনের ভিত্তি দিয়ে শুধু একতলা নির্মাণ করা হয়, যা শিক্ষার্থীসংখ্যার তুলনায় সম্পূর্ণ অপর্যাপ্ত। এছাড়া বিদ্যালয়ের মাঠে জলাবদ্ধতার সমস্যা স্থায়ী, বর্ষায় পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় মাঠ ও শ্রেণিকক্ষ দুটোই ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

প্রধান শিক্ষক মশিউর রহমান বলেন:

“সমস্যা থাকা সত্ত্বেও আমরা বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান ধরে রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। শিক্ষকরা আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সাথে পাঠদান করায় ফলাফল সন্তোষজনক হয়েছে।

অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও ছাত্রী নিবাস পুনরায় চালুর বিষয়ে আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আন্তরিক সুদৃষ্টি কামনা করছি।’


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা