বগুড়ার শেরপুর-ধুনট সড়কে মাত্র ১৮ দিনের ব্যবধানে পরপর ৫টি ছিনতাই ও চুরির ঘটনা ঘটেছে। এতে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন স্থানীয় মানুষ ও পথচারীরা।
প্রথম ঘটনাটি ঘটে ১২ আগস্ট রাত ১টার দিকে শালফা কলেজপাড়া এলাকায়। জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম রূপম ব্যবসায়িক কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে ছিনতাইকারীর কবলে পড়েন। তারা তার কাছ থেকে ৮ হাজার টাকা ও দুটি মোবাইল ফোন (অপ্পো ও আইফোন) ছিনিয়ে নেয়।
১৯ আগস্ট ভোরে খানপুর ইউনিয়নের নাসিম মীর তার স্ত্রীকে অপারেশন শেষে বাড়ি ফিরছিলেন। হুসনাবাদ এলাকায় তার অটোরিকশা থামিয়ে ছিনতাইকারীরা ১৯ হাজার ৮০০ টাকা, একটি অ্যান্ড্রয়েড ফোন ও একটি বাটন ফোন ছিনিয়ে নেয়। একইদিন রাতে ধুনট উপজেলার এলাঙ্গী গ্রামের মাসুদও ছিনতাইকারীর কবলে পড়লেও বুদ্ধি খাটিয়ে মোটরসাইকেল চালিয়ে প্রাণে রক্ষা পান।
২২ আগস্ট বিকেলে শুবলি এলাকায় জমি দেখতে আসা সেলিম খার মোটরসাইকেল রেখে যাওয়ার পর দুর্বৃত্তরা তা নিয়ে পালিয়ে যায়।
সবশেষ ৩০ আগস্ট রাতে শালফা বাজারের একটি চায়ের দোকানের বেড়া কেটে প্রবেশ করে চোরেরা ২ হাজার ১০০ টাকা নিয়ে যায়।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী রাশেদুল ইসলাম রূপম বলেন, “আমি জানি এই সড়কে পুলিশ টহল দেয়। কিন্তু এতগুলো ঘটনা ঘটলো অথচ পুলিশ কিছু জানলো না—বিষয়টি মেনে নেয়া যায় না।”
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, শেরপুর-ধুনট সড়কে ছিনতাই এখন নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে। রাতে তো বটেই, দিনের বেলাতেও মানুষ নিরাপদে চলাচল করতে পারছে না। তারা দ্রুত পুলিশি টহল জোরদার ও দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে জানতে শেরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এসএম মঈনুদ্দীনের সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তার সরকারি নাম্বার: ০১৩২০-১২৬৭৯৯।