• বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ০৫:৫৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
‎শেরপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি হলেন বিএনপি নেতা বাবলু রেলওয়ে প্রকল্পে জমি অধিগ্রহণ: ন্যায্যমূল্যের দাবিতে শেরপুরে মানববন্ধন কুড়িগ্রামে শতভাগ স্যানিটেশন ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে ১৮৯টি পরিবারের মাঝে স্যানিটারী ল্যাট্রিন বিতরণ বাজারের প্রাণকেন্দ্রেই অগ্রণী ব্যাংক রাখার দাবীতে সলঙ্গায় মানববন্ধন ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান অপসারণের দাবিতে দুপচাঁচিয়ায় কলম বিরতি জয়পুরহাট বাসীর জন্য রানা প্রধান ১ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন মেগা প্রকল্প উপহার দিচ্ছেন সরকার জিরো টলারেন্স ঘোষণা করার পরেও মাদক- সেবিদের আড্ডা ইউনিয়ন পরিষদে রাতের আঁধারে সড়ক নির্মাণকাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ কুড়িগ্রামে ল্যাম্পি স্কিন ডিজিজ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি ও ভ্যাকসিন কার্যক্রম অনুষ্ঠিত সড়কবাতি দেখতে ফ্রান্সে যাত্রা’র খবর আংশিক ও বিভ্রান্তিকর : রাসিক

কবে হচ্ছে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন?

অনলাইন ডেস্ক / ১৩১ Time View
Update : বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

136

নতুন সংসদ সদস্য এবং প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীদের শপথ গ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশের নতুন সরকারের যাত্রা শুরু হলো। তবে এই সরকারের আমলে রাষ্ট্রপতি কে হবেন বা কবে হবেন তা নিয়ে নানা আলোচনা চলছে।

শেখ হাসিনা সরকারের আমলেই রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিয়েছিলেন মোঃ সাহাবুদ্দিন। গণঅভ্যুত্থানের মুখে শেখ হাসিনা সরকার পতনের পর রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের দাবি ওঠে ছাত্র-জনতার পক্ষ থেকে। তবে এ নিয়ে শুরু থেকেই আপত্তি জানিয়ে আসছিল বিএনপি। শেষ পর্যন্ত তার কাছেই তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন নির্বাচিত সরকার শপথ গ্রহণ করেছে।

ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার সরকারের আমলে রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন দায়িত্ব আসেন। তার মেয়াদ রয়েছে ২০২৮ সালের এপ্রিল মাস পর্যন্ত। ফলে ওই পদে থাকা অবস্থায় নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করার আইনগত সুযোগ নেই।

মেয়াদ শেষ, পদত্যাগ কিংবা অভিসংশনজনিত কারণে রাষ্ট্রপতি পদ শূন্য হলে এই নির্বাচনের আয়োজন করে থাকে নির্বাচন কমিশন।

নিয়ম অনুযায়ী, বাংলাদেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা সিইসি ‘নির্বাচনী কর্তা’ হিসেবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন পরিচালনা করেন। রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হলে স্পিকারের সঙ্গে আলোচনা করে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন।

তবে পদে থাকা নিয়ে গত ডিসেম্বর মাসে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে হোয়াটসঅ্যাপে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন বলেছিলেন, ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর তিনি সরে যেতে চান। কারণ অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে তিনি ‘অপমাণিত বোধ করছেন’।

সেখানে তিনি বলেছিলেন, ‘আমি সরে যেতে চাই, আমি সরে যেতে আগ্রহী। নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত আমি আমার দায়িত্ব পালন করে যাওয়া উচিত। সাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রপতির পদে থাকায় আমি আমার দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছি।’

বিশ্লেষকদের অনেকে ধারণা করছেন, সাহাবুদ্দিনের কাছে শপথ নেওয়া বিএনপি সরকার গঠনের পর রাষ্ট্রপতি পদে পরিবর্তন আসবে। নতুন রাষ্ট্রপতি কে হবেন তা নিয়ে নানা আলোচনাও চলছে।

মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে সংসদ সদস্যরা শপথ গ্রহণ করেছেন। এরপরই নতুন সংসদে নতুন স্পিকার দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতি যদি পদত্যাগপত্র জমা দেন তাহলে অভিশংসনের প্রয়োজন হবে না। তবে রাষ্ট্রপতি আগেই সরে যাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করায় এক্ষেত্রে জটিলতা তৈরি হবে না বলেই বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা