শেষ পর্যন্ত সমীকরণ মেলাতে পারলো না দুরন্ত। ফাইনালে উঠতে হলে শুধু জয় পেলেই চলবে না, জিততে হতো বড় ব্যবধানে। এমন চাপের ম্যাচে শেষ পর্যন্ত জয়টাই হাতছাড়া করলো আকবর আলীর দুরন্ত একাদশ। তাদেরকে ৭ উইকেটে হারিয়ে অপরাজিত থেকে অদম্য বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি কাপের ফাইনালে উঠেছে নাজমুল হোসেন শান্তর দুর্বার একাদশ।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে হেরে আগে ব্যাট করতে নামে দুরন্ত একাদশ। ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা তেমন একটা ভালো হয়নি তাদের। মাত্র ৮ রানের মধ্যে হারিয়ে ফেলে ৩ উইকেট। জিসান আলম, জাওয়াদ আবরারের পর সাজঘরে ফিরে যান আজিজুল হাকিম তামিম।
এক প্রান্ত আগলে রেখে উইকেটে টিকে ছিলেন ওপেনার মাহফিজুল ইসলাম রবিন। যদিও খুব একটা সুবিধা তিনি করতে পারেননি। ২২ বলে ৮ রানের ইনিংস খেলে বিদায় নেন তিনি। ৩২ রান তুলতেই টপ-অর্ডারের ৪ উইকেট হারিয়ে ফেলে দুরন্ত।
আকবরদের হারিয়ে লিটনদের নিয়ে ফাইনালে শান্তরা
শেষ পর্যন্ত সমীকরণ মেলাতে পারলো না দুরন্ত। ফাইনালে উঠতে হলে শুধু জয় পেলেই চলবে না, জিততে হতো বড় ব্যবধানে। এমন চাপের ম্যাচে শেষ পর্যন্ত জয়টাই হাতছাড়া করলো আকবর আলীর দুরন্ত একাদশ। তাদেরকে ৭ উইকেটে হারিয়ে অপরাজিত থেকে অদম্য বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি কাপের ফাইনালে উঠেছে নাজমুল হোসেন শান্তর দুর্বার একাদশ।
দুরন্তকে হারিয়ে ফাইনালে দুর্বার।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে হেরে আগে ব্যাট করতে নামে দুরন্ত একাদশ। ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা তেমন একটা ভালো হয়নি তাদের। মাত্র ৮ রানের মধ্যে হারিয়ে ফেলে ৩ উইকেট। জিসান আলম, জাওয়াদ আবরারের পর সাজঘরে ফিরে যান আজিজুল হাকিম তামিম।
এক প্রান্ত আগলে রেখে উইকেটে টিকে ছিলেন ওপেনার মাহফিজুল ইসলাম রবিন। যদিও খুব একটা সুবিধা তিনি করতে পারেননি। ২২ বলে ৮ রানের ইনিংস খেলে বিদায় নেন তিনি। ৩২ রান তুলতেই টপ-অর্ডারের ৪ উইকেট হারিয়ে ফেলে দুরন্ত।
এরপর জুটি বাঁধেন আরিফুল ইসলাম এবং এস এম মেহেরব হোসেন। দুজনের দৃঢ়তায় ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করে দুরন্ত। ৩২ বলে ৪১ রানের ইনিংস খেলে দলীয় ৭৭ রানের মাথায় থামেন আরিফুল। মেহেরব ফেরেন ২৩ বলে ৩৬ রান করে।
শেষ দিকে ৯ বলে ১৮ রানের ক্যামিও খেলেন আবদুল গাফফার সাকলাইন। শেষ পর্যন্ত ১ বল বাকি থাকতে ১৪৫ রান করে অলআউট হয়ে যায় দুরন্ত একাদশ। দুর্বার একাদশের হয়ে ৪ উইকেট শিকার করেন খালেদ আহমেদ। ২ উইকেট নেন হাসান মাহমুদ। ১টি করে উইকেট তুলেছেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন এবং আলিস আল ইসলাম।
জবাব দিতে নেমে মাহমুদুল হাসান জয় এবং হাবিবুর রহমান সোহানের ব্যাটে দারুণ শুরু পায় দুর্বার একাদশ। সোহান এগিয়েছেন আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে। জয় কিছুটা ধীরেসুস্থে খেলেছেন। ১৭ বলে ৩৯ রান করে সোহান বিদায় নিলে ভাঙে তাদের ৬১ রানে জুটি।
তিনে নেমে সুবিধা করতে পারেননি নাজমুল হোসেন শান্ত। ৯ বলে ৫ রান করে বিদায় নেন বাঁহাতি এই ব্যাটার। এরপর জয়ের সঙ্গে জুটি বাঁধেন নুরুল হাসান সোহান। দেখেশুনে খেলে ফিফটি তুলে নেন জয়। ৫১ বলে ৫৮ রানের ঝলমলে এক ইনিংস খেলে দলীয় ১৩৫ রানের মাথায় থামেন তিনি।
এরপর জয়ের আনুষ্ঠানিকতা সারেন সোহান এবং আফিফ হোসেন ধ্রুব। দুজনের কার্যকরী ব্যাটিংয়ে হেসেখেলে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় দুর্বার একাদশ। ২৪ বলে ২৮ রান করে অপরাজিত ছিলেন সোহান। আফিফ অপরাজিত ছিলেন ৫ বলে ১১ রান করে। ১৫ বল বাকি থাকতে ৭ উইকেটের জয় পায় দুর্বার একাদশ। দুরন্ত একাদশের হয়ে ২৩ রান খরচায় ৩ উইকেট শিকার করেছেন আবদুল গাফফার সাকলাইন।