• বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৪৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
কুড়িগ্রামে বিজিবির ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে চরের পাঁচ শতাধিক মানুষ পেলো চিকিৎসাসেবা পুষ্টি, উদ্যোক্তা ও টেকসই উন্নয়নে কুড়িগ্রামে ‘পার্টনার কংগ্রেস’ অনুষ্ঠিত থানায় গিয়ে ডিউটি অফিসার এসআই রোকসানাকে ‘ম্যাডাম’ ডাকায় আটক যুবক রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া পুরাভিটায় মাদকবিরোধী অভিযানে ১০ জন গ্রেফতার, ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদণ্ড রায়গঞ্জে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ পালুত বন্যা বিষয়ক গণসচেতনতামূলক “মাঠ মহড়া” অনুষ্ঠিত “মানুষের পাশে মানুষ’–রাজারহাটে অনন্য দৃষ্টান্ত ইউএনওর, সংবাদ দেখে ছুটে গেলেন প্রতিবন্ধী রফিকুলের বাড়ি। উদ্বোধনের তিন বছর পরও অচল পলাশবাড়ী মডেল মসজিদ, জেলা প্রশাসকের নির্দেশেও মিলছে না অগ্রগতি গোবিন্দগঞ্জে পেট্রোল মজুদ করে বিক্রির অপরাধে এক ব্যবসায়ী কারাদণ্ড দুপচাঁচিয়া নবাগত ওসির সঙ্গে উপজেলা প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দের মতবিনিময়

থানায় গিয়ে ডিউটি অফিসার এসআই রোকসানাকে ‘ম্যাডাম’ ডাকায় আটক যুবক

শেরপুর বগুড়া প্রতিনিধি / ২৭ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬

35


‎বগুড়ার শেরপুর থানায় ডিউটি অফিসার হিসেবে কর্তব্যরত এক নারী উপ-পরিদর্শককে (এসআই) ‘ম্যাডাম’ সম্বোধন করাকে কেন্দ্র করে নূর মোহাম্মদ মামুন নামের এক যুবককে দেড় ঘণ্টা আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে থানা চত্বরে এ ঘটনা ঘটে। পরে মুচলেকা নিয়ে তাকে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়।
‎অভিযোগের তীর থাকা ওই পুলিশ কর্মকর্তার নাম রোখসানা খাতুন। তিনি গত ১৯ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে শেরপুর থানায় যোগদান করেন।
‎ভুক্তভোগী নূর মোহাম্মদ মামুনের ভাষ্য অনুযায়ী, ব্যক্তিগত প্রয়োজনে তিনি সকালে থানায় যান এবং ডিউটিরত এসআই রোখসানা খাতুনকে ‘ম্যাডাম’ বলে সম্বোধন করে কথা বলতে চান। এতে এসআই রোকসানা অসন্তোষ প্রকাশ করে তাকে গালাগালি করে, একপর্যায়ে কোনো লিখিত অভিযোগ বা সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই তাকে আটকে রাখা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। পরে প্রায় দেড় ঘণ্টা পর পরিবারের লোকজন গেলে একটি মুচলেকা নিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
‎ঘটনার প্রেক্ষাপটে অনুসন্ধানে জানা যায়, এসআই রোখসানা খাতুন যোগদানের পর থেকেই থানায় সেবা নিতে আসা ব্যক্তিদের সঙ্গে তার আচরণ নিয়ে বিভিন্ন মহলে অসন্তোষ রয়েছে। ভুক্তভোগী হিসেবে পরিচয় দেওয়া রেজাউল করিম, আলী হাসান ও নাইম ইসলাম অভিযোগ করেন, কয়েক মাস আগে থানায় গেলে তারা তার অসৌজন্যমূলক আচরণের শিকার হন এবং ধমক দিয়ে গালাগালি করে থানা থেকে বের করে দেওয়া হয়।
‎অন্যদিকে ইমরান হোসেন নামের একজন জানান, প্রায় পাঁচ মাস আগে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার আচরণ নিয়ে থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জয়নুল আবেদীনের কাছে মৌখিক অভিযোগ করেছিলেন।
‎নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক থানায় কর্মরত একাধিক পুলিশ সদস্য বলেন, এসআই রোখসানা খাতুনের আচরণ ও মেজাজজনিত কারণে সহকর্মীদের মধ্যেও এক ধরনের অস্বস্তি কাজ করে। তার ডিউটির সময় কর্মপরিবেশ তুলনামূলক চাপপূর্ণ থাকে বলেও তারা উল্লেখ করেন।
‎এ বিষয়ে শেরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এস.এম. মঈনুদ্দীন বলেন, “এসআই রোখসানা খাতুনের বিরুদ্ধে এর আগেও কিছু মৌখিক অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং ইতোমধ্যে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।”
‎তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত এসআই রোখসানা খাতুনের বক্তব্য জানতে চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তার মুঠোফোনে কল দিয়ে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
‎এদিকে স্থানীয়দের মতে, জনবান্ধব পুলিশিংয়ের লক্ষ্য বাস্তবায়নে এ ধরনের আচরণ প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে এবং বাহিনীর ভাবমূর্তিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তারা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা