• বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ১১:৪৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
প্রধানমন্ত্রীর জন্য রাস্তা বানাতে ‘ভাড়ায়’ আনা হয়েছিল ইট বগুড়ার শেরপুরে ট্রলির ধাক্কায় প্রাণ গেল বৃদ্ধার দুপচাঁচিয়ায় হত্যা মামলায় পিতা সহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করায় মেয়ের সংবাদ সম্মেলন সলঙ্গায় গ্রাম আদালত বিষয়ক ভিডিও প্রদর্শনী বগুড়ার শেরপুরে প্রান্তিক পেশাজীবীদের সফটস্কিলস প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন কুড়িগ্রাম সীমান্তে বিজিবির অভিযানে সাড়ে ৮ লাখ টাকার চোরাচালান পণ্য জব্দ একাধিকবার চুরির শিকার বান্নীঘাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,থানায় অভিযোগ নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ শিশু ৪৪ ঘণ্টা পর মরদেহ উদ্ধার হরিপুরে জেলা প্রশাসকের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত শেরপুরে রাস্তা বন্ধের অভিযোগ, তদন্ত চেয়ে ইউএনওর কাছে আবেদন

দুপচাঁচিয়ায় হত্যা মামলায় পিতা সহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করায় মেয়ের সংবাদ সম্মেলন

দুপচাঁচিয়া(বগুড়া) প্রতিনধিঃ / ৪৬ Time View
Update : বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬

58

বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় হত্যা মামলায় বাবা সহ কয়েকজন নিরাপরাধ ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করায় নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে হয়রানীমূলক মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও হত্যাকন্ডে জড়িত প্রকৃত অপরাধীকে সনাক্ত করে দ্রæত বিচারের আওতায় আনার দাবীতে মেয়ের সংবাদ সম্মেলন। ১০জুন বুধবার দুপুরে দুপচাঁচিয়া উপজেলা প্রেসক্লবে উপজেলার গুনাহার ইউনিয়নের তালুচ গ্রামের সাদিয়া আক্তার লামিয়া এ সংবাদ সম্মেলন করেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সাদিয়া বলেন, গত ১৮মে গুনাহার ইউনিয়নের ঝাঝিড়া গ্রামে মানিক চৌধুরী নামের এক ব্যক্তি হামলায় নিহত হন। ঘটনার সময় নিহত মানিক চৌধুরীর ছেলে ও ভাতিজা ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন এবং তারা বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকদের নিকট খুনীর পরিচয় সম্পর্কে অবগত করেন। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনক বিষয় হলো পরবর্তীতে আমার বাবা গুনাহার ইউনিয়ন শ্রমিকদলের সাবেক সভাপতি ও দুপচাঁচিয়া থানা শ্রমিকদলের সাবেক সহসভাপতি আবু কালাম সহ কয়েকজন নিরাপরাধ ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। মামলায় আমার পিতাকে এক নম্বর আসামী করা হয়। যা অত্যন্ত দুঃখজনক। ১৮মে ঘটনারদিন তুচ্ছ একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে ঝাঝিড়া গুচ্ছ গ্রামের ফিরোজ হোসেন কাকরুল ও নিহত মানিক চৌধুরীর মধ্যে বাকবিতন্ডার এক পর্যায়ে কাকরুল লোহার পাইপ দিয়ে মানিকের ঘাড়ে আঘাত করলে তিনি গুরুতর আহত হন। তাকে দুপচাঁচিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার সময় আমার পিতা নিজ বাসার সামনে তালুচ বাজারে অবস্থান করছিলেন। এর একাধিক সিসিটিভি ফুটেজে প্রমান রয়েছে। আমার পিতা বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার কারণে আওয়ামী শাসন আমলে প্রায় ৫৬টি গায়েবী মিথ্যা ও বানোয়াট মামলার শিকার হন। দুর্ভাগ্যজনকভাবে সেই হয়রানীর ধারাবাহিকতা আজও বিদ্যমান। আমি মনে করি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার চরিতার্থ করা এবং আমাদের সামাজিক ও রাজনৈতিক মানসম্মান ক্ষুন্ন করার উদ্দেশ্যে আওয়ামীলীগের দোসরদের প্রভাবে এই মামলা সাজানো হয়েছে। নিহত মানিকের সঙ্গে আমার বাবার কোনো ব্যক্তিগত বা পারিবারিক শত্রæতা ছিল না। তাহলে হত্যা দায় আমার বাবার ওপর কার চাপে এবং কেন চাপিয়ে দেয়া হলো তা তদন্তের মাধ্যমে উদঘাটন করা প্রয়োজন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের প্রতি আমাদের আকুল আবেদন আমার বাবাকে মিথ্যা মামলার মাধ্যমে যে হয়রানী করা হয়েছে এবং এখনও করা হচ্ছে তার সুষ্ঠু ও তদন্ত বিচার নিশ্চিত করার আহবান জানাচ্ছি। দেশের বিচার ব্যবস্থা ও প্রশাসনের প্রতি আমাদের পূর্ণ আস্থা ও শ্রদ্ধা রয়েছে। ঘটনাটির নিরপেক্ষ স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করা, প্রকৃত অপরাধীকে সনাক্ত করে দ্রæত বিচারের আওতায় আনা এবং কোনো নিরাপরাধ ব্যক্তি যেন হয়রানীর শিকার না হয় সে বিষয়ে প্রশাসনের কার্যকর প্রদক্ষেপ গ্রহণের দাবী জানাচ্ছি। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সাদিয়া আক্তার লামিয়ার মাতা রেবেকা আক্তার, ফুপু রতœা পারভীন, চাচি জান্নাতি বেগম ও রুবি আক্তার।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা