সংবাদ সম্মেলনে নেতানিয়াহু দাবি করেন, প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে চলা প্রবল বোমা হামলার ফলে ইরান সামরিকভাবে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তার মতে, তেহরানের এলিট বাহিনী আইআরজিসি এবং আধাসামরিক বাহিনী বাসিজ এখন খাদের কিনারায়। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ইরান যাতে তাদের পারমাণবিক ও ব্যালিস্টিক কর্মসূচি ভূগর্ভে সরিয়ে নিতে না পারে, আমরা সেই লক্ষ্যেই নিখুঁত হামলা চালাচ্ছি।” তিনি আরও দাবি করেন, সাম্প্রতিক অভিযানে ইরানের বেশ কয়েকজন শীর্ষস্থানীয় পরমাণু বিজ্ঞানী নিহত হয়েছেন।
মোজতবা খামেনি এবং হিজবুল্লাহ প্রধান নাঈম কাসেমের বিরুদ্ধে ইসরায়েল কোনো সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থা নেবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে নেতানিয়াহু স্বভাবসুলভ শ্লেষাত্মক ভঙ্গিতে বলেন, “সন্ত্রাসী সংগঠনের নেতাদের কারও জন্যই আমি কোনো জীবনবিমা দিতাম না। আমরা কী পরিকল্পনা করছি, তা এখানে সুনির্দিষ্ট করে বলব না।” তার এই মন্তব্যকে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বের ওপর সম্ভাব্য গুপ্তহত্যার সরাসরি হুমকি হিসেবে দেখছেন।
ইরানে সরকার পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়ে নেতানিয়াহু বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে এমন পরিবেশ তৈরি করা সম্ভব, তবে রাস্তায় নামার চূড়ান্ত দায়িত্ব ইরানের জনগণের। এছাড়া তিনি জানান, বর্তমান সংকট ও পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তার প্রতিদিন আলোচনা হচ্ছে।
হিজবুল্লাহর হামলা প্রসঙ্গে তিনি স্পষ্ট করেন যে, গত ২ মার্চ থেকে শুরু হওয়া হিজবুল্লাহর রকেট হামলার দাঁতভাঙা জবাব দিতে ইসরায়েল প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং লেবাননে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।