কুড়িগ্রামের রাজারহাটে সরকারি সেবা প্রাপ্তিতে অনগ্রসর ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীকে অধিকতর অন্তর্ভুক্তির কৌশল ও করণীয় নির্ধারণে কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে রাজারহাট উপজেলা অফিসার্স ক্লাবে উন্নয়ন সংস্থা আরডিআরএস বাংলাদেশ এ কর্মশালার আয়োজন করে।
কর্মশালায় বক্তারা বলেন, সমাজের সকল শ্রেণির মানুষকে সরকারি সেবার আওতায় আনতে না পারলে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব নয়। এজন্য সরকারের বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তামূলক কর্মসূচি সম্পর্কে প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষকে সচেতন করতে হবে।
রাজারহাট উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের কর্মকর্তা এস.এম. হাবিবুর রহমান তার বক্তব্যে বলেন, ‘বাংলাদেশে এখনও ৫২ শ্রেণির মানুষ অনগ্রসর ও সুবিধাবঞ্চিত হিসেবে চিহ্নিত। এই জনগোষ্ঠীকে উন্নয়নের মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।’
আরডিআরএস বাংলাদেশের ‘কোর কম্প্রিহেনসিভ প্রোগ্রাম’-এর ধনেশ্বরী রানীর সঞ্চালনায় কর্মশালায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন আরডিআরএসের কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট সুপারভাইজার জেসমিন আক্তার, টেকনিক্যাল অফিসার (হেলথ) ফরিদা ইয়াসমিন, কমিউনিটি মবিলাইজার গৌরাঙ্গ চন্দ্র প্রমুখ।
কর্মশালায় আরডিআরএস বাংলাদেশের কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত উপস্থাপন করা হয়। সংস্থাটি স্বাস্থ্য, সামাজিক উন্নয়ন ও কৃষি—এই তিনটি মূল খাতে কাজ করে যাচ্ছে। প্রতিষ্ঠানিক সেবার পরিধি বৃদ্ধি এবং মাতৃত্বকালীন সেবা নিশ্চিত করণে তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
কর্মশালা শেষে আরডিআরএস বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আফরোজা খাতুন ও হালিমা বেগম নামের দুই নবজাতক মাকে শিশু ভাতা হিসেবে পাঁচ হাজার টাকা করে চেক হস্তান্তর করা হয়।
কর্মশালায় আরডিআরএস-এর সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন ফেডারেশনের সভাপতি, সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক প্রহ্লাদ সৈকত,রাজারহাট উপজেলা প্রেসক্লাব এর- আকবর আলী, রতন রায়, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।