মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার মধ্যেও দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে একাধিক উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এর অংশ হিসেবে আরও ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল আমদানির ব্যবস্থা করা হয়েছে।
জানা গেছে, হরমুজ প্রণালিতে আটকে থাকা ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল দ্রুত দেশে আনতে ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে। একই সঙ্গে সৌদি আরব থেকে নতুন করে আরও ১ লাখ টন ক্রুড অয়েল কেনা হয়েছে, যা ইয়ানবু বন্দর থেকে সরাসরি চট্টগ্রামের ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেডে আনা হবে।
বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের তথ্য অনুযায়ী, আগামী এক মাসের মধ্যে এই তেল দেশে পৌঁছালে জ্বালানি সংকট অনেকটাই কমে আসবে।
বর্তমানে ‘এমটি নরডিক পলুকস’ নামের একটি জাহাজ হরমুজ প্রণালিতে আটকে রয়েছে। ইরানের অনুমতি না পাওয়ায় এটি এখনো দেশে আসতে পারেনি। তবে সরকারের কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে এবং অনুমতি মিললে জাহাজটি সরাসরি চট্টগ্রামে আসবে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই তেল দেশে পৌঁছালে পরিস্থিতির উন্নতি হবে, তবে বাড়তি চাহিদা মেটাতে আরও ডিজেল আমদানির প্রয়োজন হতে পারে। মার্চ মাসে বিকল্প উৎস থেকে ৩৯টি জ্বালানিবাহী জাহাজ দেশে আসা সরকারের সক্রিয় পদক্ষেপেরই ইঙ্গিত দেয়।
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, এপ্রিলের শেষভাগ থেকে মে মাসের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে দুই জাহাজে মোট প্রায় ২ লাখ টন অপরিশোধিত তেল দেশে পৌঁছাতে পারে, যা জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।