• সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ০২:৪৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
শেরপুরে ক্লাব ৯২-এর ঈদ আড্ডা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে জয়পুরহাট চ্যাম্পিয়ন ট্রফি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধন এস বি সাইবার নেটওয়ার্কের আয়োজনে শেরপুরে প্রবীণদের প্রীতি ফুটবল টুর্নামেন্ট কুড়িগ্রামে একটি গ্রামের কারো ভাগ্যে জোটেনি এক টুকরো কোরবানির মাংস, নদীভাঙন আতঙ্কে দিন পার কুড়িগ্রামে সহস্রাধিক অসহায় মানুষ পেল HASENE-এর কোরবানির মাংস সাতবারের সাবেক এমপি দবিরুল ইসলাম আর নেই দুপচাঁচিয়ায় কোরবানির পশুর চামড়ার বাজারে ধস, নামমাত্র দামে বিক্রি ‎বগুড়ার শেরপুরে তিন মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে ২ শিক্ষার্থী নিহত, আহত ৪ পূর্বপুরুষের পেশা টিকিয়ে রাখতে যুদ্ধ কামার শিল্পীদের জয়পুরহাটে কোরবানী ঈদে মাংশ টাকার জন্য কাঠের খাইটা কদর বেশী

সিরাজগঞ্জ তাড়াশে চলনবিলে পাট চাষে সফলতা

জলিলুর রহমান জনি, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি / ১০০ Time View
Update : রবিবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৫

73

 

চলনবিলের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, সময় মত পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে ঢলের পানি না আসলেও কিছুদিন আগে ভারি বৃষ্টি হওয়ায় বিভিন্ন জলাশয়ে পানি জমে। সেই পানিতেই এখন চাষিরা পাট কেটে নদী, নালা, খাল, বিল ও ডোবায় জাগ দেওয়া, আঁশ ছাড়ানো এবং হাট বাজারে তা বিক্রিসহ এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন। তবে উপজেলার কিছু কিছু উচু এলাকায় পর্যাপ্ত পানি না থাকায় বিপাকে পড়েছেন তাঁরা।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ মৌসুমে উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের বিভিন্ন বিলে ৮ হাজার ৯৬০ হেক্টর জমিতে পাট চাষ হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৮০ হেক্টর বেশি জমিতে আবাদ বেড়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে পাট চাষে উৎসাহিত করতে উপজেলার এক হাজার ১০০ কৃষকের মধ্যে বিনামূল্যে সার ও বীজ বিতরণ করেছে কৃষি বিভাগ। বপন মৌসুমে পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত হওয়ায় সম্পূরক সেচে কৃষকের খরচ বৃদ্ধি পায়নি। তা ছাড়া আবহাওয়া পাট চাষের অনুকূলে থাকায় রোগবালাই ও পোকার আক্রমণও কম হয়েছে।

পাটের দাম বেড়ে যাওয়ায় এবার পাট চাষে ঝুঁকেছে কৃষক। গত বছর পাটের দাম ভালো পাওয়ায় কৃষক পাট চাষ করে বেশ লাভবান হচ্ছেন। অনেক কৃষকই বলছেন পাট চাষীদের সুদিন ফিরেছে।

উপজেলার দক্ষিণ শ্যামপুর গ্রামের কৃষক সোহান বলেন, সে এবছর পাঁচ বিঘা জমিতে পাট চাষ করেছেন। এক বিঘা জমিতে পাট চাষে প্রায় ৭-৮ হাজার টাকা খরচ হয়। পাট উৎপাদন হয় প্রায় ৮-১০ মন। যার বাজারদর প্রায় ৩৫ হাজার টাকা। এছাড়া বিঘা প্রতি প্রায় ২ হাজার টাকার পাটকাঠি পাওয়া যায়। গত বছর ভরা মৌসুমে প্রতিমণ পাট ২ হাজার থেকে ৩০০০ টাকায় বিক্রি হলেও এবছর বিক্রি হচ্ছে ৩২০০-৩৮০০ টাকা।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আলিমিয়া জান্নাত বলেন, তাড়াশ উপজেলায় দিন দিন পাট চাষ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ বছর লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে পাট আবাদ হয়েছে। কৃষি বিভাগ কৃষকদের সার্বক্ষণিক পরামর্শ দেওয়ার মাধ্যমে উন্নত জাতের পাট চাষ বৃদ্ধিতে কাজ করে যাচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা