সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে ছয় বছরের শিশু সোয়া খাতুন (সূচনা) হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। এ মামলায় দুই গ্রেফতার করা হয়েছে।
আজ রোববার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে জেলা পুলিশ।
আটক দুই আসামি হলো- মো. মনিরুল ইসলাম জিহাদ(২১) এবং মোছা. আতিয়া পারভীন (২৭)।
ভুক্তভোগী শিশু সূচনা কুয়েত প্রবাসী মো. সুমন হোসেনের মেয়ে। তিনি দেউলমুড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণীর ছাত্রী। তিনি সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ থানার মীরের দেউলমুড়ার বাসিন্দা।
দায়িত্ব রত পুলিশ কর্মকর্তা বিজ্ঞপ্তিতে জানান , নিহত সূচনাকে গত ২০ আগস্ট সকাল ৯টার সময় পরিবারের লোকজন দেখতে না পেয়ে আশপাশসহ আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে খোঁজাখুঁজি করে কোথাও পায় না। একই তারিখ বেলা অনুমান ১২ টার দিকে লোকজনের ডাক চিৎকার শোনা যায়। এ সময় বসত বাড়ীর পূর্ব পাশে জনৈক মো. সানোয়ার হোসেন (৪৫), পিতা-মৃত শাহজাহান আলীর বাড়ির দিকে দৌড়ে যায় সূচনার পরিবারের লোকজন। এগিয়ে গিয়ে তারা দেখতে পান যে শিশু মোছা সোয়া খাতুন ওরফে সূচনার লাশ সানোয়ারের বাড়ির পরিত্যক্ত টয়লেটের মধ্যে পরে আছে।
দুষ্কৃতিকারীরা ভিকটিম শিশু মোছাঃ সোয়া খাতুন ওরফে সূচনাকে মাথায় ও কপালে গুরুতরভাবে আঘাত করে রক্তাক্ত করে হত্যা করে। লাশ গুম করার চেষ্টা করলেও উপযুক্ত সুযোগ না পেয়ে জন্য টয়লেটের মধ্যে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। এসংক্রান্তে ভিকটিম শিশু মোছাঃ সোয়া খাতুন ওরফে সূচনা’র দাদা বাদী হয়ে রায়গঞ্জ থাকায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
পরে ডিবি পুলিশের একটি চৌকস টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তারা ঘটনার সত্যতা উদঘাটনের জন্য আসামি মোঃ মনিরুল ইসলাম জিহাদ(২১) ও মোছাঃ আতিয়া পারভীনকে (২৭) গ্রেফতার করে। এরমধ্যে আসামী মো. মনিরুল ইসলাম জিহাদ বিজ্ঞ আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।
এই বিষয়ে অপরাধীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন ভুক্তভোগীর আত্মীয়রা।