গাইবান্ধা সদর উপজেলার খোলাটি ইউনিয়নের পশ্চিম কোমরননই (দশানি) গ্রামে জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে এক ভয়াবহ ও নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় আব্দুল্লাহর ছেলে মোখলেছ গুরুতর আহত হয়ে তার ডান হাতের কব্জি হারিয়েছেন। একই ঘটনায় আতাউর রহমানসহ আরও কয়েকজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকাল আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে জমির সীমানা নির্ধারণকে কেন্দ্র করে মোখলেছের সঙ্গে প্রতিবেশী সাজু মিয়ার ছেলে রনি মিয়ার সাথে বিরোধ সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে কথা কাটাকাটি সংঘর্ষে রূপ নিলে রনি মিয়া বাড়ি থেকে ধারালো অস্ত্র এনে মোখলেছের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে তার ডান হাতের কব্জি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
গুরুতর অবস্থায় মোখলেছকে প্রথমে গাইবান্ধা থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। সর্বশেষ খবরে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
অভিযোগ রয়েছে, এ ঘটনার পর রনি মিয়া থেমে না থেকে পাশের বাড়িতে ঢুকে আরও তাণ্ডব চালায়। তিনি নিজের চাচী জরিনা বেগম (৪০) ও ভাতিজির স্ত্রীসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের ওপর এলোপাতাড়ি মারধর করেন। এতে তারা গুরুতর আহত হন।
একই ঘটনায় আতাউর রহমানসহ মোখলেছের পরিবারের আরও সদস্য আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। হামলার সময় এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে স্থানীয়রা দ্রুত এগিয়ে এসে আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন।
এ ঘটনায় জরিনা বেগম বাদী হয়ে রনি মিয়া ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে গাইবান্ধা সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে দীর্ঘদিনের পারিবারিক বিরোধ ও পূর্ব শত্রুতার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।
এলাকাবাসীর দাবি,
এ ধরনের নৃশংস হামলার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনতে হবে।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।