রাজারহাট উপজেলার বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের ডাংরারহাট আজিজিয়া আলিম মাদ্রাসা মাঠে বিদ্যানন্দ ইউনিয়ন কৃষক দলের আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক রুশো চৌধুরীর সার্বিক সহযোগীতায় সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনা ও দুস্থদের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
১৯শে মার্চ বৃহস্পতিবার বিকালে ডাংরার হাট আজিজিয়া আলিম মাদ্রাসা মাঠে উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদের নব নিযুক্ত চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ,বিশেষ অতিথি হিসেবে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন আশরাফুল ইসলাম রুবেল সাবেক যুগ্ন আহ্বায়ক কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপি ও মাই টিভির জেলা প্রতিনিধি,
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজারহাট উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক এডভোকেট শফিকুল ইসলাম,সদস্য সচিব সাইদুল ইসলাম,যুগ্ন আহ্বায়ক রুশো চৌধুরী,
ও রাজারহাট উপজেলার উদয়মান তরুন ছাত্রদল নেতা মাহিন।অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যানন্দ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সহিদুল ইসলাম খোকন ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
সভায় সভাপতিত্ব করেন বিদ্যানন্দ ইউনিয়ন কৃষক দলের আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ,সভাটি সঞ্চালনা করেন আতিকুল ইসলাম,সদস্য সচিব নাজিম খান ইউনিয়ন বিএনপি।
আলোচনা সভাশেষে সভার প্রধান অতিথি কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদের নব নিযুক্ত চেয়ারম্যান সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া ও প্রার্থনা করেন।দোয়া পরিচালনা করেন ডাংরারহাট কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব মাওলানা আবুল খায়ের।দোয়া শেষে দুস্থ ও অসহায়দের মাঝে ইফতার সামগ্রিক বিতরণ করেন সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ।
ইফতার সামগ্রিকের মধ্যে ছিলো সেমাই,চিনি,মুড়ি,কাচু বাদাম,সাবান সহ মোট ৯টি পন্য।
পাঁচশতাধিক দুস্থ ও অসহায়দের মাঝে এই ইফতার সামগ্রিক বিতরণ করা হয়।
সংক্ষিপ্ত আলোচনায় সভার প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে স্থানীয় নেতৃবৃন্দ কে হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন যদি তার দলের কোন নেতাকর্মী সাধারণ মানুষ কে হয়রানি করে বা তাদের বিরুদ্ধে কোন রকম অভিযোগ পাওয়া যায় তাহলে সাথে সাথে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।তার এই বক্তব্যে উপস্থিত সকলেই হাত তালি দিয়ে তাকে পুর্ন সমর্থন জানান।
এছাড়াও কুড়িগ্রাম জেলার প্রত্যেকটি গ্রামে তার সরকারের উন্নয়ন কর্মকার্ন্ডের অংশ হিসেবে সেই উন্নয়ন কর্মকান্ড পৌছে দেওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।