প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার পূর্ণাঙ্গ নীতিমালা ও আচরণবিধি প্রকাশ করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে এই নতুন নীতিমালা প্রকাশ করা হয়। এবারের নীতিমালায় পরীক্ষার হলে শিক্ষার্থীদের শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ১০টি কঠোর নির্দেশনার পাশাপাশি বিশেষ আচরণবিধি যুক্ত করা হয়েছে।
নীতিমালা অনুযায়ী, প্রতিটি পরীক্ষার্থীকে অবশ্যই প্রবেশপত্রসহ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হলে উপস্থিত হতে হবে। প্রবেশপত্র ছাড়া কোনোভাবেই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা যাবে না। এছাড়া পরীক্ষার হলে মোবাইল ফোন, ক্যালকুলেটর বা যেকোনো ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস বহন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
পরীক্ষার্থীদের জন্য ১০টি জরুরি নির্দেশনা:
১. প্রবেশপত্র: পরীক্ষার্থীকে প্রবেশপত্রসহ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হলে উপস্থিত হতে হবে। প্রবেশপত্র ছাড়া পরীক্ষা দেওয়া যাবে না।
২. নিষিদ্ধ সামগ্রী: হলে কোনো অননুমোদিত কাগজপত্র, ক্যালকুলেটর, মোবাইল ফোন বা ইলেকট্রনিক ডিভাইস আনা যাবে না।
৩. ওএমআর ফরম: উত্তরপত্রের কভার পৃষ্ঠার (ওএমআর) নির্ধারিত স্থানে নাম, বিষয় কোড ও রোল নম্বর ছাড়া অন্য কিছু লেখা যাবে না।
৪. পরিদর্শকের স্বাক্ষর: উত্তরপত্রে অবশ্যই ইনভিজিলেটরের (পরিদর্শক) স্বাক্ষর থাকতে হবে, অন্যথায় উত্তরপত্র বাতিল হবে।
৫. অপ্রয়োজনীয় লেখা: উত্তরপত্রের কোথাও নিজের নাম, ঠিকানা বা কোনো সাংকেতিক চিহ্ন বা আপত্তিকর কিছু লেখা যাবে না।
৬. খসড়া কাজ: খসড়ার জন্য আলাদা কাগজ দেওয়া হবে না। উত্তরপত্রেই খসড়া করে তা পরে কেটে দিতে হবে।
৭. নিষিদ্ধ লিখন: টেবিল, স্কেল বা নিজের শরীরে কোনো কিছু লেখা যাবে না।
৮. হল ত্যাগ: প্রশ্নপত্র বিতরণের পর অন্তত এক ঘণ্টা পার না হওয়া পর্যন্ত কোনো পরীক্ষার্থী হল থেকে বের হতে পারবে না।
৯. উত্তরপত্র জমা: পরীক্ষা শেষ হলে দায়িত্বরত পরিদর্শকের কাছে উত্তরপত্র জমা দিয়ে তবেই হল ত্যাগ করতে হবে।
১০. অন্যান্য নিয়ম: কর্তৃপক্ষ কর্তৃক সময়ে সময়ে নির্দেশিত সকল নিয়মাবলি অনুসরণ করতে হবে।
নির্দেশিকায় কঠোরভাবে জানানো হয়েছে যে, পরীক্ষার হলে একে অন্যের সঙ্গে কথা বলা যাবে না। প্রশ্নপত্র বা অন্য কোনো মাধ্যমে কিছু লিখে তথ্য বিনিময় করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এছাড়া অন্যের উত্তরপত্র দেখে লেখা বা অন্যকে দেখানোর কাজে সহযোগিতা করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।