জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১৪ হাজার ৩৮৫ জন সহকারী শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে ওঠা জালিয়াতি ও অনিয়মের অভিযোগ খতিয়ে দেখার ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের ব্যত্যয় বা অনিয়ম ধরা পড়লে অবশ্যই তা তদন্ত করা হবে।
গতকাল বুধবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এই মন্তব্য করেন।
ড. এহছানুল হক মিলন বলেন, “সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সম্প্রতি যে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ সম্পন্ন হয়েছে, তাতে কোনো অনিয়ম বা জালিয়াতির অভিযোগ থাকলে তা খতিয়ে দেখা হবে। তদন্তে যদি সত্যতা পাওয়া যায়, তবে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
উল্লেখ্য, এই নিয়োগ পরীক্ষা নিয়ে আগে থেকেই ব্যাপক বিতর্ক ছিল এবং চাকরিপ্রার্থীরা জালিয়াতির অভিযোগে আন্দোলনও করেছিলেন। তবে এসব বিতর্কের মধ্যেই অন্তর্বর্তী সরকার নিয়োগ প্রক্রিয়াটি শেষ করে।
এছাড়া, নির্বাচনের আগে ১ হাজার ৭১৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করার জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাছে যে অনুমোদন চাওয়া হয়েছিল, সেখানেও কয়েক শ কোটি টাকার অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এ প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী জানান, এমপিওভুক্তি প্রক্রিয়াটি এখনো চূড়ান্তভাবে সম্পন্ন হয়নি। বর্তমান সরকার পুরো বিষয়টি পুনঃপর্যালোচনা করবে।