বগুড়ার শেরপুরে "বাংলাদেশের প্রান্তিক পেশাজীবী জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন (২য় ফেইজ)" শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় প্রান্তিক পেশাজীবীদের জন্য ১০ দিনব্যাপী পেশাভিত্তিক সফটস্কিলস প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। বুধবার (১০ জুন) সকালে উপজেলা পরিষদ হলরুমে উপজেলার বিভিন্ন প্রান্তিক পেশাজীবী জনগোষ্ঠীর ১০ টি পেশার ১. কামার; ২. কুমার; ৩. নাপিত; ৪. বাশ ও বেতপণ্য প্রস্তুতকারক; ৫. কাঁসা/পিতলপণ্য প্রস্তুতকারক; ৬. জুতা মেরামত/প্রস্তুতকারী; ৭. লোকজযন্ত্র প্রস্তুতকারী (একতারা, দোতারা, বাশি, মন্দিরা)/লোকজ শিল্পী (বাউল, গম্ভীরা, কীর্তন, ঢপ, ভাষান/জারি); ৮. নকশী কাথী শিল্প; ৯. শীতল পাটি; ১০. শতরঞ্জির ৩০ জন সদস্যকে নিয়ে এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন শেরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইদুজ্জামান হিমু। এসময় সাইদুজ্জামান হিমু বলেন, দক্ষতা উন্নয়নের...
36
বগুড়ার শেরপুরে “বাংলাদেশের প্রান্তিক পেশাজীবী জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন (২য় ফেইজ)” শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় প্রান্তিক পেশাজীবীদের জন্য ১০ দিনব্যাপী পেশাভিত্তিক সফটস্কিলস প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে।
বুধবার (১০ জুন) সকালে উপজেলা পরিষদ হলরুমে উপজেলার বিভিন্ন প্রান্তিক পেশাজীবী জনগোষ্ঠীর ১০ টি পেশার ১. কামার; ২. কুমার; ৩. নাপিত; ৪. বাশ ও বেতপণ্য প্রস্তুতকারক; ৫. কাঁসা/পিতলপণ্য প্রস্তুতকারক; ৬. জুতা মেরামত/প্রস্তুতকারী; ৭. লোকজযন্ত্র প্রস্তুতকারী (একতারা, দোতারা, বাশি, মন্দিরা)/লোকজ শিল্পী (বাউল, গম্ভীরা, কীর্তন, ঢপ, ভাষান/জারি); ৮. নকশী কাথী শিল্প; ৯. শীতল পাটি; ১০. শতরঞ্জির
৩০ জন সদস্যকে নিয়ে এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন শেরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইদুজ্জামান হিমু।
এসময় সাইদুজ্জামান হিমু বলেন, দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তোলাই এ প্রশিক্ষণের মূল লক্ষ্য।
প্রশিক্ষণে উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন শেরপুর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. নাইম হোসেন, ট্রেইনার হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আবু তাহের, সরকারি শিশু পরিবার (বালক) যশোরের উপ তত্ত্বাবধায়ক, মো. রুবেল হাওলার। তারা অংশগ্রহণকারীদের সফটস্কিলস, যোগাযোগ দক্ষতা, কর্মক্ষেত্রে আচরণগত উন্নয়ন ও আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করবেন বলে জানান।
প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে উপজেলার বিভিন্ন প্রান্তিক পেশাজীবী জনগোষ্ঠীর ৩০ জন অংশগ্রহণকারী উপস্থিত ছিলেন। সংশ্লিষ্টরা জানান, এ ধরনের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে এবং তাদের জীবনমান উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। প্রশিক্ষণ শেষে প্রত্যেক জনকে সনদ, ১৮ হাজার টাকা এককালীন অনুদান, যাতায়াত ভাতা হিসেবে ১০ হাজার টাকা প্রদান করা হবে।