• বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ০৮:২৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
শেরপুরে এমপি সিরাজের গণশুনানি, জনগণের সমস্যা শুনে সমাধানের আশ্বাস শেরপুরের বোংগা গ্রামে মাদকের আখড়া আতঙ্কে কিশোর-যুবক, নিরাপত্তাহীনতায় শিক্ষার্থীরা ৬৫ বছরের আইনি লড়াই শেষে পৈত্রিক জমি উদ্ধার, পেটানো হলো ঢাক-ঢোল রায়গঞ্জে জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ : আহত-৫ রাজশাহীতে আটককৃত হেরোইন বিক্রির অভিযোগ গোদাগাড়ী থানার এসআই জুয়েলের বিরুদ্ধে রাজশাহীতে বহুতল ভবনের নির্মাণ ত্রুটিতে হোটেলের ক্ষতি: পাওনা টাকা চাওয়ায় মালিককে প্রাণনাশের হুমকি কুড়িগ্রাম সীমান্তে বিজিবির নিরাপত্তা জোরদার ও সতর্ক অবস্থান গাইবান্ধায় শিশু কুলসুম হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার মারা গেলে আমার লাশটা নড়াইলে নিও না, বাবাকে অভিমানী মাশরাফির অনুরোধ ‎পৌরসভায় নাগরিক সেবা ও উন্নয়ন নিয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

খাজনার রশিদ ২৭৮ টাকা, নেওয়া হলো ২ হাজার—শেরপুরে ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ

শেরপুর বগুড়া প্রতিনিধি / ৩০ Time View
Update : সোমবার, ১১ মে, ২০২৬

36

বগুড়ার শেরপুর পৌর শহরে অনলাইন খাজনা পরিশোধের নামে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে এক ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)সহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন এক ভুক্তভোগী।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শেরপুর পৌর শহরের সান্যালপাড়া এলাকার বাসিন্দা সৌরভ অধিকারী শুভ তার পৈতৃক সম্পত্তির অনলাইন খাজনা পরিশোধ করতে পৌর ভূমি অফিসে যান। জমির জে এল নং-১০৯, খতিয়ান নং-১০৮১, দাগ নং-৮৩৮, শ্রেণি-বাসাবাড়ি, পরিমাণ-২.৩৩ শতাংশ এবং হোল্ডিং নং-৪৮০২ এর খাজনা দিতে গেলে সংশ্লিষ্ট ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা (নায়েব) আব্দুস সালাম তার কাছে ২ হাজার ৫০০ টাকা দাবি করেন বলে অভিযোগ করা হয়।
পরে কম্পিউটার অপারেটরের মাধ্যমে ২ হাজার টাকা গ্রহণ করা হয়। তবে খাজনার রশিদে সরকারি ফি হিসেবে উল্লেখ ছিল মাত্র ২৭৮ টাকা। রশিদের বাইরে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার কারণ জানতে চাইলে সেটি বিভিন্ন অফিসিয়াল খরচ বাবদ নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী সৌরভ অধিকারী শুভ বলেন, “নির্ধারিত সরকারি খাজনার বাইরে অতিরিক্ত অর্থ নেওয়া হয়েছে। বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রতিকার চেয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।”
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা আব্দুস সালাম। তিনি বলেন, “বর্তমানে মানুষ অনলাইনে খাজনার আবেদন করে। আমি শুধু অনুমোদনের কাজ করি। অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার প্রশ্নই আসে না।”
এ বিষয়ে শেরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইদুজ্জামান হিমু বলেন, “অভিযোগের বিষয়টি জেনেছি। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা