• বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১১:১৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
হরিপুরে বেহাল সড়ক, কৃষক ও শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ চরমে নওগাঁর বদলগাছীতে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ-সার ও কৃষি উপকরণ বিতরণ হরিপুরে কমেছে পাটের আবাদ, বিকল্প ফসলে ঝুঁকছেন কৃষকরা বগুড়ার শেরপুরে ট্রাক-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ গেল তরুণের কুড়িগ্রামে সুপারির বাগানে গাঁজা চাষ: অভিযান চালিয়ে চারটি গাঁজা গাছ জব্দ করল পুলিশ জুলাই শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কুড়িগ্রামে এনসিপির ৩৬ দিনের জুলাই জাগরণ কর্মসূচির উদ্বোধন শূন্যরেখায় ১৭ দিনের মানবেতর জীবন, তারপর হঠাৎ উধাও বিএসএফের পুশইন করা তিন যুবক সোনাহাট সেতুর পাটাতন ভেঙে যান চলাচল বন্ধ, বাড়ছে জনভোগান্তি বন্যার পানি কমলেও কুড়িগ্রামে শেষ হয়নি দুর্ভোগ, কৃষকের ৫০০ হেক্টর ফসল ক্ষতিগ্রস্ত নওগাঁয় ১০১ টি হারানো মোবাইল প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর করলো জেলা পুলিশ

প্রোটিনের অভাব: লক্ষণ, ঝুঁকি ও সমাধানে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ

অনলাইন ডেস্ক / ১৫৫ Time View
Update : সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬

161

সুস্থ থাকার জন্য কার্বোহাইড্রেট ও চর্বির পাশাপাশি প্রোটিন শরীরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। কোষ গঠন, পেশি শক্তিশালী রাখা এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে প্রোটিনের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে অনেক সময় অজান্তেই শরীরে প্রোটিনের ঘাটতি তৈরি হয়, যা বিভিন্ন শারীরিক সমস্যার মাধ্যমে প্রকাশ পায়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রোটিনের অভাব হলে শরীরে কিছু সাধারণ লক্ষণ দেখা যায়। এর মধ্যে অন্যতম হলো পেশি দুর্বল হয়ে যাওয়া বা কমে যাওয়া। পর্যাপ্ত প্রোটিন না থাকলে শরীর শক্তির জন্য পেশি ভাঙতে শুরু করে, ফলে দুর্বলতা দেখা দেয়।
এ ছাড়া চুল পড়া ও নখ ভেঙে যাওয়ার প্রবণতাও বাড়ে। কারণ চুল ও নখ মূলত কেরাটিন নামক প্রোটিন দিয়ে তৈরি। একই সঙ্গে বারবার ক্ষুধা লাগা প্রোটিনের ঘাটতির একটি সাধারণ লক্ষণ, কারণ প্রোটিন দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে।
ত্বকের সমস্যাও দেখা দিতে পারে। দীর্ঘদিন প্রোটিনের অভাবে ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়, লালচে দাগ বা খসখসে ভাব দেখা দেয়। পাশাপাশি শরীরে কোনো ক্ষত হলে তা শুকাতে দেরি হয়, কারণ নতুন কোষ গঠনে প্রোটিন প্রয়োজন।
প্রোটিনের অভাবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও কমে যায়। ফলে ঘনঘন সর্দি-কাশি বা সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। এছাড়া মানসিক দিক থেকেও প্রভাব পড়ে—ক্লান্তি, মনোযোগের ঘাটতি ও খিটখিটে মেজাজের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।
চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, এই ঘাটতি পূরণে দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার অন্তর্ভুক্ত করা জরুরি। ডিম, মাছ, মাংস, ডাল, দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার, বাদাম এবং সয়াবিন প্রোটিনের ভালো উৎস।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দৈনিক প্রতি কেজি ওজনের জন্য অন্তত ০.৮ গ্রাম প্রোটিন গ্রহণ করা উচিত। সুষম খাদ্যাভ্যাস বজায় রাখলে প্রোটিনের ঘাটতি সহজেই প্রতিরোধ করা সম্ভব।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা