ক্ষমতায় গেলে রাষ্ট্রপতি কে হবেন, জানালেন জামায়াত আমির
অনলাইন ডেস্ক
/ ৯২
Time View
Update :
সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
Share
ক্ষমতায় গেলে রাষ্ট্রপতি কে হবেন, জানালেন জামায়াত আমির
নির্বাচনের পর ক্ষমতায় গেলে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদ অর্থাৎ 'রাষ্ট্রপতি' হিসেবে কাকে দেখা যাবে—এমন কৌতূহলী প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি জানিয়েছেন, নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তির নাম এখনই ঘোষণা না করলেও সৎ, যোগ্য এবং নিষ্ঠাবান ব্যক্তিকেই এই পদের জন্য বেছে নেবে তাঁর দল। শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর ঢাকা-১৫ আসনে গণসংযোগ চলাকালীন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এসব কথা বলেন। রাষ্ট্রপতি নির্বাচন প্রসঙ্গে জামায়াত আমির পবিত্র কোরআনের আয়াত উল্লেখ করে বলেন, “আপনারা ধৈর্য ধরুন। নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা ধৈর্যশীলদের সঙ্গে আছেন।” তিনি স্পষ্ট করেন যে, জামায়াতের কাছে রাষ্ট্র পরিচালনা কোনো ব্যক্তিগত সম্পদ নয়, বরং এটি জনগণের একটি বড় আমানত।...
98
নির্বাচনের পর ক্ষমতায় গেলে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদ অর্থাৎ ‘রাষ্ট্রপতি’ হিসেবে কাকে দেখা যাবে—এমন কৌতূহলী প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি জানিয়েছেন, নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তির নাম এখনই ঘোষণা না করলেও সৎ, যোগ্য এবং নিষ্ঠাবান ব্যক্তিকেই এই পদের জন্য বেছে নেবে তাঁর দল।
শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর ঢাকা-১৫ আসনে গণসংযোগ চলাকালীন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন প্রসঙ্গে জামায়াত আমির পবিত্র কোরআনের আয়াত উল্লেখ করে বলেন, “আপনারা ধৈর্য ধরুন। নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা ধৈর্যশীলদের সঙ্গে আছেন।” তিনি স্পষ্ট করেন যে, জামায়াতের কাছে রাষ্ট্র পরিচালনা কোনো ব্যক্তিগত সম্পদ নয়, বরং এটি জনগণের একটি বড় আমানত। তাই যারা এই আমানত রক্ষা করতে পারবেন, কেবল তারাই গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন হবেন।
ডা. শফিকুর রহমানের মতে, দেশের মর্যাদা রক্ষা এবং জনগণের আস্থা অর্জনের জন্য রাষ্ট্রপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে বসার প্রধান শর্ত হলো—
সততা
যোগ্যতা
কঠোর নিষ্ঠা
গণসংযোগকালে তিনি দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে কথা বলেন। তিনি দাবি করেন, মানুষ দীর্ঘ সময় ধরে সুশাসন এবং ন্যায়বিচারের অপেক্ষায় রয়েছে। জামায়াত এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চায় যেখানে রাজনৈতিক কারণে কেউ নির্যাতিত হবে না।
তিনি আরও বলেন, “দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের চাবিকাঠি জনগণের হাতে। দেশকে সঠিক পথে এগিয়ে নিতে হলে রাষ্ট্রীয় নেতৃত্বে অবশ্যই সৎ ও যোগ্য লোকদের আমানতদারিতা নিশ্চিত করতে হবে।”
ঢাকা-১৫ আসনে গণসংযোগের সময় জামায়াত আমিরের এই বক্তব্যে স্থানীয় সাধারণ মানুষের মধ্যেও ব্যাপক আগ্রহ দেখা যায়। অনেকেই আগামী দিনের রাষ্ট্র পরিচালনা এবং গুরুত্বপূর্ণ পদগুলো নিয়ে উৎসুক ছিলেন।
এ সময় ডা. শফিকুর রহমানের সাথে ঢাকা মহানগর উত্তরের নায়েবে আমির আব্দুর রহমান মুসা, লস্কর মুহাম্মদ তসলিম এবং জাহিদুল ইসলামসহ দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।