• বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ০১:৪৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
বাজারের প্রাণকেন্দ্রেই অগ্রণী ব্যাংক রাখার দাবীতে সলঙ্গায় মানববন্ধন ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান অপসারণের দাবিতে দুপচাঁচিয়ায় কলম বিরতি জয়পুরহাট বাসীর জন্য রানা প্রধান ১ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন মেগা প্রকল্প উপহার দিচ্ছেন সরকার জিরো টলারেন্স ঘোষণা করার পরেও মাদক- সেবিদের আড্ডা ইউনিয়ন পরিষদে রাতের আঁধারে সড়ক নির্মাণকাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ কুড়িগ্রামে ল্যাম্পি স্কিন ডিজিজ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি ও ভ্যাকসিন কার্যক্রম অনুষ্ঠিত সড়কবাতি দেখতে ফ্রান্সে যাত্রা’র খবর আংশিক ও বিভ্রান্তিকর : রাসিক একটি বাঁশের কোরল, একটি প্রাণ! শেরপুরে চাচাতো ভাইয়ের হামলায় নিহত ১ বগুড়ার শেরপুরে সাপের কামড়ে নববিবাহিত বাকপ্রতিবন্ধী যুবকের মৃত্যু শিবগঞ্জে শহীদ জিয়ার শাহাদৎ বার্ষিকি উপলক্ষ্যে যুবদলের উদ্যেগে খাবার বিতরণ

ক্ষমতায় এলে বদলে যায় আচরণ—মানবাধিকার ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতায় হুমকি: শহিদুল আলম

অনলাইন ডেস্ক / ৬০ Time View
Update : সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬

65

ক্ষমতায় গেলে অনেকের অবস্থান ও আচরণ পরিবর্তিত হয়, যা মানবাধিকার ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতার জন্য হুমকি সৃষ্টি করে—এমন মন্তব্য করেছেন আলোকচিত্রী ও মানবাধিকার কর্মী শহিদুল আলম।
সোমবার (৬ এপ্রিল) ‘ভয়েস ফর রিফর্ম’ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে শহিদুল আলম গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার সংক্রান্ত অধ্যাদেশ স্থগিত এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা সংক্রান্ত অধ্যাদেশ বাতিলের সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, এ ধরনের সিদ্ধান্ত গণতান্ত্রিক কাঠামোর জন্য উদ্বেগজনক এবং আইনের শাসনের পরিপন্থী।
ক্রসফায়ার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটি নতুন কোনো বিষয় নয়; বরং বিভিন্ন সরকারের সময়ে ভিন্ন ভিন্ন নামে উপস্থাপিত হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, আগে একে অন্য নামে ডাকা হলেও পরে ‘র‍্যাপিড অ্যাকশন’ কার্যক্রম হিসেবে পরিচিতি পায়। ক্ষমতায় আসার পর অনেকেই এর বিরোধিতা থেকে সরে আসেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
শহিদুল আলম বলেন, ২০০৯ সালে তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন ক্রসফায়ারের অস্তিত্ব অস্বীকার করেছিলেন।
২০১০ সালে নিজের আয়োজিত ‘ক্রসফায়ার’ প্রদর্শনী নিয়ে তিনি বলেন, শুরু থেকেই নানা চাপ ও হুমকির মুখে পড়তে হয়েছিল। প্রদর্শনী বন্ধের জন্য ফোন আসে এবং একপর্যায়ে সশস্ত্র পুলিশ তার অফিস ঘিরে ফেলে। পরে তিনি আদালতের শরণাপন্ন হন এবং সেখান থেকে সাময়িক অনুমতিও পান। তবে তিনি দাবি করেন, তখনকার মতো এখন বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও সাহস আর আগের মতো নেই।
তিনি আরও বলেন, আটক ব্যক্তিদের গোপন নির্যাতনের স্থান হিসেবে পরিচিত তথাকথিত ‘আয়নাঘর’গুলো পরিদর্শন করে সেখানকার বাস্তবতা জনগণের সামনে তুলে ধরা জরুরি। এ ধরনের নির্যাতন কোনো সভ্য সমাজে গ্রহণযোগ্য নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
আন্তর্জাতিক প্রসঙ্গ টেনে শহিদুল আলম ইসরায়েল-ফিলিস্তিন ইস্যুতেও কথা বলেন। ফিলিস্তিনিদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে চলমান নিপীড়ন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয় তুলে ধরে তিনি বিশ্ব সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণের আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে তার এসব বক্তব্য মানবাধিকার, আইনের শাসন এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা সৃষ্টি করেছে।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা