গণহত্যা দিবস উপলক্ষে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের সকল শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দেওয়া এক বাণীতে তিনি উল্লেখ করেন, স্বাধীনতার প্রকৃত মূল্য ও তাৎপর্য অনুধাবনের জন্য ২৫ মার্চের গণহত্যার সঠিক ইতিহাস জানা বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অত্যন্ত জরুরি।
প্রধানমন্ত্রী তার বাণীতে বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি কলঙ্কিত ও নৃশংসতম দিন। সেই রাতে পাকিস্তানি দখলদার বাহিনী ‘অপারেশন সার্চলাইট’-এর নামে নিরস্ত্র বাঙালির ওপর ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ ও বর্বরোচিত গণহত্যা চালায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, পিলখানা এবং রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী ও সাধারণ মানুষের ওপর নির্বিচারে এই সুপরিকল্পিত হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়।
তারেক রহমান আরও উল্লেখ করেন, এই নৃশংসতা সত্ত্বেও সেই রাতেই চট্টগ্রামে ৮ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট ‘উই রিভোল্ট’ (আমরা বিদ্রোহ করলাম) ঘোষণা দিয়ে সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল, যা দীর্ঘ নয় মাসের মহান মুক্তিযুদ্ধের সূচনা করে। তবে কেন এই পরিকল্পিত গণহত্যা প্রতিরোধ করা গেল না, তা এখনো ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ গবেষণার বিষয় বলে তিনি মন্তব্য করেন।
বাণীর শেষে প্রধানমন্ত্রী মহান মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনা—সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে শহীদদের আত্মত্যাগের যথাযথ মূল্যায়ন করার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান। তিনি সকল শহীদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং গণহত্যা দিবস উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সাফল্য কামনা করেন।