এই বিষয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের Climate Prediction Center জানিয়েছে, প্রশান্ত মহাসাগরের পানির তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে, যা একটি শক্তিশালী এল নিনো অবস্থার ইঙ্গিত দেয়। সাধারণভাবে, El Niño একটি প্রাকৃতিক জলবায়ু চক্র, যেখানে প্রশান্ত মহাসাগরের নির্দিষ্ট অঞ্চলে সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা বেড়ে যায়। সাধারণ এল নিনোতে তাপমাত্রা প্রায় ০.৫ থেকে ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়। তবে এই বৃদ্ধি যদি ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যায়, তখন সেটিকে শক্তিশালী এল নিনো বলা হয়। ‘সুপার এল নিনো’ মূলত গণমাধ্যমে ব্যবহৃত একটি জনপ্রিয় শব্দ, এর আলাদা বৈজ্ঞানিক সংজ্ঞা নেই।বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এর প্রভাব খুব নাটকীয় নাও হতে পারে, তবে কিছু পরিবর্তন দেখা যেতে পারে। যেমন—গরমের তীব্রতা বাড়তে পারে, তাপপ্রবাহ দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে। পাশাপাশি বৃষ্টিপাতের ধরন অনিয়মিত হয়ে উঠতে পারে, কোথাও অতিবৃষ্টি আবার কোথাও খরার আশঙ্কা তৈরি হতে পারে। এমনকি বর্ষা মৌসুম শুরু হতেও দেরি হতে পারে। তবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এত শক্তিশালী প্রভাব সব সময় দেখা যায় না এবং এটি খুবই বিরল ঘটনা। তাই সম্ভাবনা থাকলেও ‘সুপার এল নিনো’ ঘটবেই—এমন নিশ্চয়তা নেই।